২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান হলেন ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারহাম সালিহ

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫, ০৩:৩৩ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান হলেন ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারহাম সালিহ

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual2 Ad Code

জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর-এর হাইকমিশনার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারহাম সালিহ। তিনি বর্তমান হাইকমিশনার ইতালির ফিলিপ্পো গ্রান্ডির স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন হবেন। ২০১৬ সাল থেকে এই পদে আছেন গ্রান্ডি।
ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট বারহাম সালিহ।
শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) জাতিসংঘের প্রধান আন্তোনিও গুতেরেস স্বাক্ষরিত একটি চিঠির বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের ১১ ডিসেম্বরের একটি চিঠিতে সালিহের পাঁচ বছরের মেয়াদ ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এখন ইউএনএইচসিআর কমিটির অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

Manual1 Ad Code

চিঠিতে বলা হয়েছে, সালিহকে ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া পাঁচ বছরের মেয়াদের জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে। তবে এই নিয়োগটি অস্থায়ী এবং ইউএনএইচসিআরের নির্বাহী কমিটির অনুমোদনের পরই কার্যকর হবে।

Manual3 Ad Code

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরাকের কুর্দি অঞ্চলে নেতা সালিহের এই নিয়োগ, বৈশ্বিক সংস্থাটির প্রধান দাতা দেশগুলো থেকে ইউএনএইচসিআর নিয়োগের ঐতিহ্য ভেঙে দিয়েছে। কারণ এর আগের দায়িত্ব পালন করা ইউএনএইচসিআরের অর্ধেকেরও বেশি ইউরোপ থেকেই এসেছিলেন।

Manual6 Ad Code

এবারও এই পদের জন্য প্রায় এক ডজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন। এর মধ্যে বেশ কয়েকজন ইউরোপীয় রাজনীতিবিদ, বিশ্বের বৃহত্তম আসবাবপত্র ব্র্যান্ড- আইকেইএ-এর একজন নির্বাহী, একজন ডাক্তার এবং একজন টিভি ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

বারহাম সালিহ একজন ইরাকি রাজনীতিবিদ। তিনি ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ইরাকির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এর আগে তিনি কুর্দিস্তান অঞ্চলের প্রধানমন্ত্রী এবং ইরাকি ফেডারেল সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code