৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

আর্জেন্টিনার দলকে রুখে দিলো বাংলাদেশ

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৯, ২০২৫, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ণ
আর্জেন্টিনার দলকে রুখে দিলো বাংলাদেশ

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু, স্টাফ রিপোর্টার

Manual2 Ad Code

উত্তেজনা আর রোমাঞ্চে ঠাসা ম্যাচে আর্জেন্টিনার বুয়েন্স এইরেসভিত্তিক ক্লাব আতলেটিকো চার্লোনকে রুখে দিয়েছে বাংলাদেশের রেড গ্রিন ফিউচার স্টার।

সোমবার (৮ ডিসেম্বর) জাতীয় স্টেডিয়ামে লাতিন-বাংলা সুপার কাপের এই ম্যাচটি ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। আর্জেন্টিনার ক্লাব আতলেটিকো চার্লোনের সঙ্গে ১-১ গোলের ড্র করেছে বাংলাদেশের দল রেড গ্রিন ফিউচার স্টার।

ছবি: সংগৃহীত আর্জেন্টিনার ক্লাব আতলেটিকো চার্লোনের সঙ্গে ১-১ গোলের ড্র করেছে বাংলাদেশের দল রেড গ্রিন ফিউচার স্টার। গোল-হাতাহাতি-লাল কার্ড— একটা ম্যাচে উত্তেজনা আর রোমাঞ্চ ছড়াতে আর কি-ই বা লাগে!

Manual7 Ad Code

লাতিন-বাংলা সুপার কাপে আর্জেন্টিনার দল ও বাংলাদেশের দলের মধ্যকার ম্যাচটিতে ছিল এর সবকিছুই। শুরুতে স্বাগতিকরা এগিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত লিড ধরে রাখতে পারেনি। পরে ঘুরে দাঁড়িয়ে ড্র করে মাঠ ছাড়ে অতিথিরা।

অনূর্ধ্ব-২০ দলের এই প্রতিযোগিতায় প্রথম ম্যাচে ব্রাজিলের তৃতীয় স্তরের দল সাও বার্নার্দোর বিপক্ষে ৪-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশের দল রেড গ্রিন ফিউচার স্টার। সেই হারের হতাশা সামলে আজ দারুণ শুরু পায় রেড গ্রিন ফিউচার স্টার। চতুর্থ মিনিটে অফসাইডের ফাঁদ ভেঙে বেরিয়ে দারুণ শটে দলকে এগিয়ে নেন মাসুদ।

২১তম মিনিটে বাম দিক দিয়ে সতীর্থের থ্রু পাস ধরে একক প্রচেষ্টায় আক্রমণে ওঠেন মোহাম্মদ মানিক। প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডারকে গতিতে পেছনে ফেলে বক্সে ঢুকে নিখুঁত শটে গোলরক্ষকের পাশ দিয়ে জাল খুঁজে নেন তিনি। ব্যবধান দ্বিগুণ করার আনন্দে মানিক যখন উদযাপনে ব্যস্ত, তখনই অফসাইডের পতাকা তোলেন লাইন্সম্যান।

Manual1 Ad Code

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে সামিয়েন্তোর দৃষ্টিনন্দন গোলে সমতায় ফেরে চার্লোন। ডান দিক থেকে এই ফরোয়ার্ডের শট তার এক সতীর্থের পায়ের ফাঁক দিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে জালে জড়ায়। ৭৬তম মিনিটে হাতাহাতিতে জড়ান দুই দলের খেলোয়াড়রা।

ওই ঘটনায় চার্লোনের দেভিদ বেভজিনি ও মাতিয়াস রোসালেস এবং বাংলাদেশের ইশান হাবিব রেদোয়ানকে লাল কার্ড দেখান রেফারি। এরপর পুনরায় খেলা শুরু হলে রেড গ্রিন চেপে ধরে প্রতিপক্ষকে। একের পর আক্রমণ করলেও গোলের দেখা পায়নি তারা।

৮৭তম মিনিটে মাসুদের দূরপাল্লার ফ্রি কিক বাতাসে ভেসে প্রায় পোস্টেই ঢুকে যাচ্ছিল, কিন্তু অনেকটা লাফিয়ে ওঠা গোলকিপারের গ্লাভস ছুঁয়ে পোস্টে লেগে বল চলে যায় বাইরে। এরপর আর কোনো গোল না হলে ১-১ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দুই দল।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code