২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান শাহিনস

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫, ০৯:২৬ অপরাহ্ণ
তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান শাহিনস

Manual1 Ad Code

ক্রীড়া ডেস্ক,

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মূল পর্ব শুরুর আগে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে পাকিস্তান শাহিনস। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) আজ তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচের জন্যই দল ঘোষণা করেছে। যার একটি রয়েছে বাংলাদেশের বিপক্ষেও।

বাংলাদেশের বিপক্ষে পিসিবির ঘোষিত পাকিস্তান শাহিনসের দলে আছেন ১২ ক্রিকেটার। এই দলকে নেতৃত্ব দেবেন মোহাম্মদ হারিস। হারিস খেলেছেন ৬ ওয়ানডে। কদিন আগে শেষ হওয়া বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে দুর্বার রাজশাহীর হয়ে খেলেছেন। বাংলাদেশের বিপক্ষে শাহিনসের দলে আছেন বিপিএলের আরেক ক্রিকেটার আমির জামাল। তিনি সদ্য সমাপ্ত বিপিএলে খেলেছেন খুলনা টাইগার্সের হয়ে।

Manual7 Ad Code

বাংলাদেশের বিপক্ষে শাহিনসের দলে থাকা মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র খেলেছেন ২০ ওয়ানডে। উসামা মীর খেলেছেন ১২ ওয়ানডে। এই দুই ক্রিকেটার ছাড়া আর কারও বেশি ওয়ানডে খেলার অভিজ্ঞতা নেই। জামাল, মুকিম এই সংস্করণে খেলেছেন ৩ ও ১ ম্যাচ। সাহিবজাদা ফারহান, ওমাইর বিন ইউসুফের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হলেও এখনো পর্যন্ত ওয়ানডে খেলেননি। পাকিস্তানের জার্সিতে ফারহান ও ওমাইর বিন ইউসুফ খেলেন ৯ ও ৬ টি-টোয়েন্টি।

Manual8 Ad Code

১৭ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ের আইসিসি একাডেমিতে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান শাহিনস। ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় বেলা তিনটায় শুরু হবে। একই দিনে করাচিতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে শাহিনস। দক্ষিণ আফ্রিকা-শাহিনস ম্যাচটি বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় শুরু হবে। বাংলাদেশ, দক্ষিণ আফ্রিকা দুই দলের বিপক্ষে আলাদা দল নিয়ে খেলবে পাকিস্তান শাহিনস।

Manual4 Ad Code

চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রস্তুতি পর্বের প্রথম ম্যাচ ১৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হবে পাকিস্তান শাহিনস-আফগানিস্তান ম্যাচ দিয়ে। এই ম্যাচটি হবে লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে। ১৬ ফেব্রুয়ারি করাচিতে প্রস্তুতি পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হবে আফগানিস্তান-নিউজিল্যান্ড।

Manual5 Ad Code

বাংলাদেশের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির প্রস্তুতি ম্যাচে পাকিস্তান শাহিনসের দল

মোহাম্মদ হারিস (অধিনায়ক), আমির জামাল, আবদুল সামাদ, আলি রাজা, আজান আওয়াইজ, মোহাম্মদ ওয়াসিম জুনিয়র, মুবাশির খান, মুসা খান, ওমাইর বিন ইউসুফ, উসামা মীর, সাহিবজাদা ফারহান, সুফিয়ান মুকিম

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code