২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে ভারতীয় রকেট, ১৬ স্যাটেলাইট হারানোর আশঙ্কা

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ণ
যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে ভারতীয় রকেট, ১৬ স্যাটেলাইট হারানোর আশঙ্কা

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার (ইসরো) পিএসএলভি-সি৬২ রকেট উৎক্ষেপণের পর মাঝ আকাশে যান্ত্রিক ত্রুটির কবলে পড়েছে। রকেটটি তার নির্ধারিত গতিপথ থেকে বিচ্যুত হওয়ায় এতে থাকা ১৬টি স্যাটেলাইট মহাকাশে হারিয়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। খবর এনডিটিভির।

Manual8 Ad Code

ইসরোর পিএসএলভি-সি৬২ রকেট উৎক্ষেপণের সময়ের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপ সফলভাবে অতিক্রম করে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
ইসরোর তথ্যমতে, উড্ডয়নের প্রথম কয়েক মিনিট এবং রকেটের প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের কার্যক্রম স্বাভাবিকই ছিল। কিন্তু তৃতীয় ধাপে এসেই গোলযোগ দেখা দেয়।

Manual3 Ad Code

ইসরো চেয়ারম্যান ড. ভি নারায়ণন জানান, রকেটের তৃতীয় ধাপে বিচ্যুতি লক্ষ্য করা গেছে এবং মিশনটি প্রত্যাশিত পথে এগোতে পারেনি। তবে মহাকাশ বিজ্ঞানীদের মতে, পিএসএলভি-র তৃতীয় ধাপের এমন ত্রুটি সাধারণত মিশনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতাই নির্দেশ করে।

এই মিশনটি ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ রকেটটি মোট ১৬টি স্যাটেলাইট বহন করছিল। এর মধ্যে রয়েছে:
ভারতের নিজস্ব আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট ইওএস-এন১।

Manual6 Ad Code

ডিআরডিও নির্মিত অত্যাধুনিক নজরদারি স্যাটেলাইট ‘অন্বেষা’।
হায়দ্রাবাদভিত্তিক স্টার্টআপ ‘ধ্রুব স্পেস’-এর ৭টি স্যাটেলাইট।
ব্রাজিল, নেপাল ও যুক্তরাজ্যের কয়েকটি স্যাটেলাইট।

মিশন ব্যর্থ হলে এই মূল্যবান উপগ্রহগুলো ধ্বংস বা হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা ইসরো এবং সংশ্লিষ্ট স্টার্টআপগুলোর জন্য বিশাল ক্ষতির কারণ হবে।এটি ইসরোর জন্য একটি বড় হোঁচট।

Manual2 Ad Code

কারণ, ২০২৫ সালেও পিএসএলভি-র একটি উৎক্ষেপণ ব্যর্থ হয়েছিল এবং সেটিও ছিল রকেটের তৃতীয় ধাপের ত্রুটির কারণেই। সেই ব্যর্থতার তদন্ত রিপোর্ট জনসমক্ষে প্রকাশ না করেই ২০২৬ সালের এই ‘কামব্যাক’ মিশনটি পরিচালনা করা হয়। কিন্তু ফের একই ধরনের বিপত্তি ভারতের অন্যতম নির্ভরযোগ্য এই রকেট সিস্টেম এবং দেশটির বাণিজ্যিক মহাকাশ উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code