২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে ইউনেট ও ইয়ুথ হাবের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ণ
তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নে ইউনেট ও ইয়ুথ হাবের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual8 Ad Code

যুবদের আধুনিক দক্ষতা উন্নয়ন এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার নিয়ে যাত্রা শুরু করল ‘ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট)’ এবং ‘ইয়ুথ হাব’।
এই সমঝোতার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তিনির্ভর আগামীর বিশ্বের জন্য নিজেদের আরও কার্যকরভাবে গড়ে তুলতে পারবে বলে আশাবাদ সংশ্লিষ্টদের।

Manual1 Ad Code

শনিবার (১০ জানুয়ারি) মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অবস্থিত ইয়ুথ হাব-এর প্রধান কার্যালয়ে এই দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যুবসমাজের ক্ষমতায়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে। নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বব্যাপী যুব ও উদ্যোক্তা উন্নয়নে একযোগে কাজ করার ঘোষণা দেন সংশ্লিষ্টরা।

Manual3 Ad Code

সমঝোতা চুক্তিতে ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক–ইউনেট এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির সহ প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মাদ আলতামিশ নাবিল। অন্যদিকে, ইয়ুথ হাব এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন এর সহ প্রতিষ্ঠাতা পাভেল সারওয়ার।
চুক্তি অনুযায়ী, উভয় প্রতিষ্ঠান চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যুবসমাজ ও উদ্যোক্তাদের প্রস্তুত করতে কাজ করবে।

তাদের প্রধান কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে; দক্ষতা উন্নয়ন: সফট স্কিলস, এসটিইএএম শিক্ষা, এবং ইন্টারনেট অফ থিংস বিষয়ক প্রশিক্ষণ।
প্রযুক্তি শিক্ষা: স্কুল পর্যায় থেকেই কোডিং-এর মৌলিক বিষয় ও প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি শিক্ষার্থীদের আগ্রহী করে তোলা।

সচেতনতা বৃদ্ধি: জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মশালা, শিক্ষা ও সনদ প্রদান কর্মসূচি এবং উদ্ভাবন ও প্রতিযোগিতা, শিশু-কিশোর ও তরুণদের অংশগ্রহণে নিয়মিত প্রযুক্তিভিত্তিক হ্যাকাথন আয়োজন।
ইয়ুথ আপস্কিল নেটওয়ার্ক (ইউনেট) একটি বাংলাদেশভিত্তিক বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম, যা মূলত নেতৃত্ব বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে যুব ক্ষমতায়নে কাজ করে।

অপরদিকে, ইয়ুথ হাব একটি আন্তর্জাতিক যুবনেতৃত্বাধীন সংগঠন, যা প্রযুক্তি শিক্ষা, জেন্ডার সমতা, সামাজিক উদ্ভাবন এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে কাজ করে আসছে।
এই সমঝোতার মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তিনির্ভর আগামীর বিশ্বের জন্য নিজেদের আরও কার্যকরভাবে গড়ে তুলতে সক্ষম হবে বলে উভয় পক্ষের সংশ্লিষ্টরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code