২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

তৃণমূলের দফতরে ইডির অভিযানের প্রতিবাদে নেতাকর্মীদের নিয়ে ৮ কিলোমিটার পথ হাঁটলেন মমতা

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১১:১৬ পূর্বাহ্ণ
তৃণমূলের দফতরে ইডির অভিযানের প্রতিবাদে নেতাকর্মীদের নিয়ে ৮ কিলোমিটার পথ হাঁটলেন মমতা

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual7 Ad Code

তৃণমূল কংগ্রেসের তথ্যপ্রযুক্তি দফতরে ইডির অভিযানের প্রতিবাদে বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছে দলটি। লাগাতার আন্দোলনের প্রথম দিনে প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ হেঁটে মিছিল করেছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Manual2 Ad Code

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুরে প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সাংবিধানিক পদে থেকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে এদিনও মমতাকে তীব্র আক্রমণ করেন বিজেপি ও কংগ্রেস নেতারা। চলতি বছর মে-জুন মাসে রাজ্যটির বিধানসভা ভোট। তার আগে এই ইস্যুতে রাজ্যের রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে।

দক্ষিণ কলকাতার যাদবপুরে প্রায় ৮ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিলের নেতৃত্ব দেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Manual2 Ad Code

মিছিলে মমতার পাশে দেখা যায় অভিনেতা ও সাংসদ দেব, অভিনেতা সোহম, কাঞ্চন মল্লিক-সহ আরও বেশ কয়েকজন অভিনেত্রীকেও।

দীর্ঘ মিছিল এগিয়ে চলে যাদবপুর ৮-বি বাসস্ট্যান্ডের দিকে। আর রাস্তার দুই ধারে হাজারো মানুষ ছিলেন। কেউ বাসার জানালা দিয়েও হাত নেড়ে প্রতিবাদে সামিল হন।

মিছিল শেষে প্রতিবাদসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারকে কার্যত তুলোধোনা করেন তৃণমূল নেত্রী।

সরাসরি বিজেপির রাজ্য নেতাদের নাম ধরে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে টাকা পাঠানোর মতো গুরুতর অভিযোগ করেন মমতা। যদিও মমতার বিরুদ্ধেও একইরকমভাবে সংবিধান না মেনে ইডির অভিযানে বাধা দেয়ার অভিযোগ তোলেন বিজেপি ও কংগ্রেস নেতৃত্ব।

কলকাতায় তৃণমূলের প্রতিবাদ মিছিলে উপস্থিত অনেকেই কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বাংলা ভাষা ও বাঙালিদের প্রতি একচোখা নীতির সমালোচনা করেন।

গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে পশ্চিমবঙ্গে আলোচিত কয়লা পাচার মামলায় দিল্লি ও কলকাতা-সহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি।

কলকাতার লাউডন স্ট্রিটে তৃণমূল কংগ্রেসের তথ্য-প্রযুক্তির দায়িত্বে থাকা আই-প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির তল্লাশির সময় সেখানে প্রবেশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সেখান থেকে সবুজ রঙের একটি গুচ্ছ ফাইল ও কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ নিয়ে আসেন তিনি। এই ঘটনা নিয়ে যদিও উভয় পক্ষই আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code