২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

প্রেসিডেন্টের সংবাদ সম্মেলনের মাঝেই ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মেক্সিকো।

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৮:৪৫ অপরাহ্ণ
প্রেসিডেন্টের সংবাদ সম্মেলনের মাঝেই ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল মেক্সিকো।

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মেক্সিকোর দক্ষিণ ও মধ্যঞ্চলে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত হেনেছে।

স্থানীয় সময় শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৮টার দিকে আঘাত হানা এই ভূমিকম্পে দুইজন নিহত হয়েছে বলে বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শিনবাউম।

Manual5 Ad Code

মেক্সিকোর জাতীয় ভূকম্পতাত্ত্বিক সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ৫। এর উৎপত্তিস্থল ছিল দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য গুয়েরেরোর সান মার্কোস শহরের কাছে প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলীয় রিসোর্ট আকাপুলকোর কাছে। ভূমিকম্পের পর ৫০০ টিরও বেশি আফটারশক হয়েছে।

Manual6 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানিয়েছে, ভূমিকম্পে উৎপত্তিস্থল ছিল আকাপুলকোর প্রায় ৫৭ মাইল উত্তর-পূর্বে পাহাড়বেষ্টিত গুয়েরোর র‍্যাঞ্চো ভিয়েজো থেকে ২ দশমিক ৫ মাইল উত্তর-পশ্চিমে ২১ দশমিক ৭ মাইল (৩৫ কিলোমিটার) গভীরে।

ভূমিকম্পের সময় প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ছিলেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লদিয়া শিনবাউম।

Manual1 Ad Code

ব্রিফিংয়ের মধ্যেই ভূমিকম্পের সতকর্তা অ্যালার্ম বেজে ওঠে এবং প্রেসিডেন্ট, সাংবাদিক ও অন্যান্যরা তাৎক্ষণিকভাবে হলকক্ষ ত্যাগ করেন। তবে এর কিছুক্ষণ পরেই শিনবাউম পুনরায় প্রেস ব্রিফিং শুরু করেন।

স্থানীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা আকাপুলকোর আশেপাশে এবং রাজ্যের অন্যান্য মহাসড়কে ভূমিধসের খবর জানিয়েছে।

গুয়েরেরোর গভর্নর এভলিন সালগাদো বলেছেন, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থলের কাছে ৫০ বছর বয়সি এক নারী ভবন ধসে মারা গেছেন।

স্থানীয় কর্মকর্তরা জানিয়েছেন, গুয়েরেরোর রাজধানী চিলপানসিঙ্গোর একটি হাসপাতালে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। হাসপাতালটি থেকে রোগীদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

এপি বলছে, কম্পন শুরু হওয়ার পর পরই মেক্সিকো সিটি ও আকাপুলকোর বাসিন্দারা রাস্তায় ছুটে আসেন। মেক্সিকো সিটির মেয়র ক্লারা ব্রুগাদা জানিয়েছেন, একটি ভবন খালি করার সময় পড়ে গিয়ে একজনের মৃত্যু হয়েছে।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code