রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা ইরান নয়, ইসরাইল চালিয়েছে: আইআরজিসি
শেখ স্বপ্না শিমুঃ সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে হামলার সঙ্গে নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইরানের সামরিক বাহিনীর বিশেষ শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তাদের দাবি, ড্রোন হামলাটি ইরান নয়, বরং ইসরাইল চালিয়েছে।
সংঘাতের চারদিনের মাথায় গত ৩ মার্চ ভোরে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ইরানে যৌথ হামলা শুরু করে। ইরানের রাজধানী তেহরানে চালানো হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা নিহত হন।
জবাবে ইসরাইলের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে মার্কিন ঘাঁটিসহ বিভিন্ন স্থানে পাল্টা হামলা শুরু করে ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর। সংঘাতের চারদিনের মাথায় গত ৩ মার্চ ভোরে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে দুটি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়। তখন ভবনটিতে আগুন লেগে আংশিক ক্ষয়ক্ষতির কথা জানানো হয়।
প্রায় এক মাস পর শুক্রবার (৩ এপ্রিল) মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের ওই হামলার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ যে তথ্য দিয়েছিল, তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর ছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় যেখানে ছোটখাটো আগুন ও সামান্য ক্ষতির কথা বলেছিল, বাস্তবে আগুনটি কয়েক ঘণ্টা ধরে জ্বলেছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
তবে আইআরজিসি এই হামলার দায় অস্বীকার করেছে। শুধু তাই ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এই প্রতিবেদনেরও নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, ‘এই হামলার সঙ্গে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর কোনো সম্পর্ক নেই।’ তাদের মতে, অঞ্চলে ইসরাইলের কৌশল বিবেচনায় এটি ‘নিশ্চিতভাবে জায়নিস্টদের কাজ।’
আইআরজিসি আরও সতর্ক করে বলেছে, মুসলিম দেশগুলোকে ‘জায়নিস্ট শাসনের ষড়যন্ত্র’ সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে এবং ‘আমেরিকা-জায়নিস্টদের অঞ্চল অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা’ সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে।
Sharing is caring!