৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২১শে শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

editor
প্রকাশিত এপ্রিল ৩, ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ণ
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Manual1 Ad Code

মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস
সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

শেখ স্বপ্না শিমুঃ সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়, যা অনুষ্ঠিত হয়েছে রিয়াদের একটি মেডিকেল কমপ্লেক্সের হলরুমে। প্রবাসে অবস্থানরত সাংবাদিক, কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা এতে অংশ নেন।

সোমবার (৩০ মার্চ) অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল গম্ভীর ও শ্রদ্ধাময় পরিবেশ।

সংগঠনের সভাপতি সোহরাব হোসেন লিটনের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান ও সাংগঠনটিক সম্পাদক রুস্তম খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ডা. আরিফুল ইসলাম। এছাড়া প্রধান উপদেষ্টা ও আরটিভির সৌদি আরব ব্যুরোচিফ মোহাম্মদ আবুল বশির, সহ-সভাপতি ও যমুনা টিভির প্রতিনিধি সেলিম উদ্দিন দীদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাংলা টিভির প্রতিনিধি আবুল কালাম আযাদ লিটন।

সাংগঠনিক সম্পাদক ও নিউজ ২৪-এর প্রতিনিধি মোহাম্মদ রুস্তম খাঁন, দপ্তর সম্পাদক ও বিজয় টিভির প্রতিনিধি মিজানুর রহমান বাবু, প্রচার সম্পাদক ও  চ্যানেল টোয়েন্টিফোর এবং টিবিএন ২৪-এর প্রতিনিধি শিহাব শাহীন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও দেশ টিভির প্রতিনিধি হাসান মাহমুদ, এবং সদস্য আল আমিন নান্নুসহ সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

Manual6 Ad Code

বিশেষ অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য দেন কবি ও সাহিত্যিক শাহজাহান চঞ্চল, সৌদি আরবে বাংলাদেশি বিনিয়োগকারী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হাবিবুর রহমান হাবিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও জানাদিম কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসাইন রিমন, রিয়াদের বাথা অঞ্চলের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী জামাল মিয়া, অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট লোকমান বিন নুর হাশেম, ব্যবসায়ী নুরুল ইসলাম ভুইয়া, সিলেট প্রবাসী শেখ ফয়েজ আহমেদ, কুমিল্লার প্রবাসী জসিম উদ্দিন ও মাহবুবুর রহমানসহ আরও অনেকে।

আলোচনা সভায় বক্তারা মহান স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বলেন, স্বাধীনতার চেতনাকে ধারণ করে প্রবাসে থেকেও সাংবাদিকদের বস্তুনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তারা দেশের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস স্মরণ করেন এবং জাতীয় চেতনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

Manual7 Ad Code

প্রধান বক্তা তার বক্তব্যে বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসকে আরও প্রবাসীবান্ধব হতে হবে। তিনি প্রবাসীদের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরে হয়রানি বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তিনি অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রবাসীদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদী ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রবাসীদের অধিকার রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তিনি উল্লেখ করেন। এছাড়া প্রবাসীদের সমস্যা তুলে ধরতে গিয়ে সৌদি আরব প্রবাসী সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সোহরাব হোসেন লিটনের বিনা অপরাধে কারাভোগের বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথি ডা. আরিফুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, প্রবাসে বাংলাদেশি কমিউনিটির ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, প্রবাসীদের স্বাস্থ্যসেবা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং মানবিক সহায়তার বিষয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সাংবাদিকদের তিনি সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে থেকে কাজ করার আহ্বান জানান এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেন।

Manual3 Ad Code

সভাপতির বক্তব্যে সোহরাব হোসেন লিটন বলেন, প্রবাসে থেকেও দেশের জন্য কাজ করার দায়বদ্ধতা আমাদের সবার রয়েছে। তিনি বলেন, সাংবাদিকরা হচ্ছেন সমাজের দর্পণ, তাই তাদের দায়িত্ব আরও বেশি। সত্য প্রকাশে কোনো আপস না করে সাহসিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি প্রবাসীদের কল্যাণে সংগঠনের কার্যক্রম আরও জোরদার করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে নাশিদ ব্যান্ডের সদস্য কাজী হাসান সাদীর টিম মনোমুগ্ধকর সংগীত পরিবেশন করেন, যা উপস্থিত দর্শকদের মুগ্ধ করে। এছাড়া আগত অতিথিদের ফুল ও শুভেচ্ছা উপহার দিয়ে বরণ করা হয়।

Manual2 Ad Code

সবশেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশিষ্ট্য সমাজসেবী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ক্বারী আব্দুল হাকিমের দোয়ার মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code