২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

গাজার রাফাহ ক্রসিং চালু নিয়ে যা বললো কাতার

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০১:০৯ অপরাহ্ণ
গাজার রাফাহ ক্রসিং চালু নিয়ে যা বললো কাতার

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

ফিলিস্তিনের যুদ্ধ বিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় ত্রাণ সরবরাহের জন্য রাফাহ ক্রসিং পুনরায় চালু করতে মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে কাতার।বহির্বিশ্বের সাথে গাজার বাসিন্দাদের একমাত্র সংযোগস্থল রাফাহ ক্রসিং।

Manual7 Ad Code

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। যদিও তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

তিনি বলেন, ‘গাজা যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য আমরা মধ্যস্থতাকারীদের সাথে কাজ করছি। আমরা দাবি করেছি যে মানবিক সাহায্যকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবেব্যবহার করা হবে না।’

Manual1 Ad Code

মানবাধিকার সংগঠনগুলো অভিযোগ করছে, ইসরাইলি নিষেধাজ্ঞার কারণে গাজায় প্রয়োজনীয় ত্রাণ সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। তেল আবিবের এই নিষেধাজ্ঞা গত ১০ অক্টোবর হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তির স্পষ্ট লঙ্ঘন। কারণ মিশর সীমান্তের সঙ্গে গাজার রাফাহ ক্রসিং বন্ধ রয়েছে।
২০২৪ সালের মে মাসে ইসরাইলি সেনাবাহিনী গাজার রাফাহ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়। এর আগে পর্যন্ত বহির্বিশ্বের সাথে গাজার একমাত্র সংযোগস্থল ছিল এই ক্রসিং।

Manual7 Ad Code

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যম কান ১ জানুয়ারি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের চাপের মধ্যে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ রাফাহ ক্রসিং দুই দিক দিয়ে পুনরায় চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এর আগে ইসরাইল সরকার জানিয়েছিল, শুধুমাত্র গাজা থেকে বাসিন্দাদের মিশরে প্রস্থানের ‘খোলা’ হবে। ইসরাইলের এই নীতির তীব্র সমালোচনা জানিয়েছিল মিশর, কাতারসহ কয়েকটি দেশ।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code