২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালদ্বীপ আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে সন্মাননা সনদ পেলেন সাংবাদিক ওমর ফারুক

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১০:১৭ অপরাহ্ণ
মালদ্বীপ আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে সন্মাননা সনদ পেলেন সাংবাদিক ওমর ফারুক

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual5 Ad Code

প্রবাসে সাংবাদিকতায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সন্মাননা সনদ পেয়েছেন সময় টেলিভিশনের মালদ্বীপ প্রতিনিধি মো. ওমর ফারুক খোন্দকার। বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ও জাতীয় প্রবাসী দিবস-২০২৫ উদযাপন অনুষ্ঠানে ওমর ফারুক ছাড়াও সন্মাননা সনদ পেয়েছেন নিউজ টুয়েন্টিফোরের মালদ্বীপ প্রতিনিধি এমরান হোসেন তালুকদারসহ মোট ৫ জন।

মালদ্বীপের বাংলাদেশ চ্যান্সেরি ভবনের মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিজয়ীদের হাতে সন্মাননা সনদ তুলে দেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থেকে আগত স্বাস্থ্য ও শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন।

এদিন মিশনের কনস্যুলার সহকারী এবাদ উল্লাহর সঞ্চালনায় দিবসটির আলোচনা সভার শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন এবং প্রধান উপদেষ্টা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা,পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা প্রেরিত বাণী পাঠ করেন যথাক্রমে হাইকমিশনের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শিরিন ফারজানা, কল্যাণ সহকারী আল-মামুন পাঠান, কনস্যুলার সহকারী ময়নাল হোসেন এবং হাইকমিশনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান।

Manual7 Ad Code

আলোচনা সভার একপর্যায়ে প্রবাসীদের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে মালদ্বীপ রেড ক্রিসেন্ট ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থাকে সম্মাননা স্মারক দেয়া হয়।

তাদের পক্ষে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট হুদ ইব্রাহিম এবং ট্রেজারার ইয়াশা শরিফ। আইওএম-এর পক্ষে সম্মাননা স্মারক গ্রহণ করেন সংস্থাটির প্রতিনিধি উরাইবা আসিফ।

Manual4 Ad Code

অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে মিশনের শ্রম কাউন্সেলর মো. সোহেল পারভেজ পোস্টাল ভোট বিডির ভোটার নিবন্ধন বিষয়ক নানা জটিলতার বিষয়ে প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পাশাপাশি সম্মাননা পাওয়া দুই সাংবাদিককে অভিনন্দন জানান।

Manual3 Ad Code

তিনি বলেন, এই সম্মাননা শুধু একজন সাংবাদিকের ব্যক্তিগত প্রাপ্তি নয়, বরং এটি প্রবাসে কর্মরত সব সাংবাদিকের জন্যই অনুপ্রেরণা ও সম্মানের। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাইকমিশনার ড. মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম বলেন, প্রবাসীরা বাংলাদেশের উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি।

তিনি প্রবাসীদের কল্যাণে বাংলাদেশ হাইকমিশনের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন এবং মালদ্বীপে আসার ক্ষেত্রে প্রতারণার শিকার প্রবাসীদের সহায়তায় নেয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয়ে আলোকপাত করেন। এ অনুষ্ঠান বাংলাদেশ এবং মালদ্বীপের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code