২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

রাশিয়ার স্বার্থকে সম্মান করলেই কেবল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হবে: পুতিন

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২২, ২০২৫, ১০:১৫ অপরাহ্ণ
রাশিয়ার স্বার্থকে সম্মান করলেই কেবল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হবে: পুতিন

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

পশ্চিমারা রাশিয়ার স্বার্থকে সম্মান করলেই কেবল ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হবে বলে জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে কিয়েভের পশ্চিমা মিত্ররা শান্তি প্রক্রিয়ায় বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। জব্দ করা সম্পদ নিয়েও ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সতর্ক করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। বলেছেন, জব্দ করা সম্পদ ফেরত দিতেই হবে।
এক টিভি প্রোগ্রামে হাজির হন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই প্রোগ্রামে তার দেয়া বক্তব্যে উঠে আসে ইউক্রেন যুদ্ধ, পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা ও যুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ভূমিকা।

Manual8 Ad Code

পুতিন বলেন, পশ্চিমারা যদি রাশিয়ার স্বার্থকে সম্মান করে, তবেই বন্ধ হবে ইউক্রেনে যুদ্ধ। তবে কিয়েভের পশ্চিমা মিত্ররা শান্তি প্রক্রিয়ায় বাধা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবকে ‘গুরুত্বপূর্ণ চেষ্টা’ হিসেবে আখ্যা দেন পুতিন।

ইউক্রেনে নির্বাচন হলে সেদিন শর্তসাপেক্ষ হামলা বন্ধের প্রস্তাবও দেন পুতিন। শর্ত হিসেবে রাশিয়ায় বসবাসরত ইউক্রেনীয়দের ভোটাধিকার নিশ্চিত করার দাবি তোলেন তিনি। আরও বলেন, নির্বাচন ছাড়া ইউক্রেন সরকারকে বৈধতা দেয়া সম্ভব নয়। এসময়, নির্বাচনকে সময়ক্ষেপণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার না করার হুঁশিয়ারি দেন পুতিন।

Manual3 Ad Code

ইউরোপীয় ইউনিয়নকে সতর্ক করে পুতিন বলেন, জব্দ করা রাশিয়ার সম্পদ ফেরত দিতেই হবে। এসব সম্পদ ব্যবহারের চেষ্টা আন্তর্জাতিক আর্থিক ব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর। রুশ সম্পদ ব্যবহার নিয়ে ইইউর ভেতরেও বিভক্তি স্পষ্ট। এমন অবস্থায় ইউক্রেনের জন্য নতুন সামরিক অর্থায়ন নাকচ করেছেন স্লোভাক প্রধানমন্ত্রী রবার্ট ফিকো।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির জানান, স্থানীয় সময় শুক্র ও শনিবার ওয়াশিংটনে সঙ্গে কিয়েভের শান্তি আলোচনা হবে। একইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, যুদ্ধ শেষের আলোচনা ‘সমাধানের খুব কাছাকাছি’ পৌঁছেছে।

শান্তি আলোচনার মধ্যেই চলছে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলা। রাশিয়ার রোস্তভ অঞ্চলে ইউক্রেনের রাতভর ড্রোন হামলায় কার্গো জাহাজের নাবিকসহ নিহত হয়েছেন বেশ কয়েকজন।

Manual3 Ad Code

পাল্টা হামলায় ইউক্রেনের ওডেসা অঞ্চলে রুশ ড্রোন হামলাত গাড়িতে থাকা এক নারী নিহত হন, আহত হয় শিশুরাও। হামলায় বিদ্যুৎ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন পাঁচটি অঞ্চলের প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার গ্রাহক।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code