২০শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৩রা জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

মনপুরায় সবজির বাজারে অস্থিরতা!ব্যবসায়িদের কারসাজি অভিযোগ ক্রেতাদের।

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ০৭:০১ অপরাহ্ণ

Manual2 Ad Code

মনপুরায় সবজির বাজারে অস্থিরতা!ব্যবসায়িদের কারসাজি অভিযোগ ক্রেতাদের।

মো: কামরুল হোসেন সুমন : মনপুরা।

Manual2 Ad Code

দ্বীপ জেলা জেলার মনপুরা উপজেলার বাংলাবাজার সবজির বাজারে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা,সাধারণ কেটে খাওয়া মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাহিরে শীতকালিন সবজির দাম। প্রতি বছর এই সময়ে সবজিসহ অন্যান্য পণ্যগুলোর চাহিদা হু হু করে বেড়ে যায়,যার ফলে দাম বাড়িয়ে দেয় খামারী সহ কাঁচা মালামালের ব্যবসায়িরা। চাহিদার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে দামও। কিন্তু এ বছর ঘিরে সবজির বাজারে দামের প্রভাব পড়ে অনেকটা।অপর দিকে খামারীদের সাথে কথা বলে জানা যায়,সার ও ঔষুধের দাম বেশি তাই সবজি বিক্রি করতে হয় চড়া দামে।

Manual4 Ad Code

বেশিরভাগ নিত্যপণ্যের দাম নিম্নবিত্ত-মধ্যবিত্তদের ক্রয়ক্ষমতার বাহিরে। এতে স্বস্তি নেই সাধারণ নিন্মবৃত্ত ও মধ্যেবৃত্ত ক্রেতাদের মাঝে।

Manual2 Ad Code

গত রবিবার ও আজ রবিবার ১৬-নভেম্বর-২৫ সরেজমিন ঘুরে মনপুরার বাংলা বাজারের দেখা যায় এমন চিত্র।

এদিকে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়তে শুরু করলেও দাম কমার বদলে উল্টো বেড়েছে। বিক্রেতারা বলছেন, কিছু কিছু সবজির দাম সপ্তাহ ব্যবধানে ১০ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ১৪০ টাকা, শিম ১৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৮০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, পটোল ৫০ টাকা ও মুলা ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি বেগুন ৬০ টাকা,আলু ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া প্রতি পিস ছোট সাইজের বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকায়। আর প্রতি কেজি ধুন্দল ৭০ টাকা, কহি ৫০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা ও কাঁচা মরিচের জন্য গুনতে হচ্ছে ২০০থেকে ২৫০ টাকা।

ক্রেতারা বলছেন, শীতকালীন সবজির দাম অনেক বেশি।এটি ব্যবসায়ীদের কারসাজি ছাড়া আর কিছুই নয়। শীতের মৌসুমেও বাড়তি দামে সবজি কিনতে হলে আর কিছু বলার নাই।যেটাতেই হাত দিচ্ছি, সেটারই দাম বেশি। ৬০-৭০ টাকার নিচে কোনো সবজি নেই বাজারে।

অপর দিকে মুদি বিক্রেতারা বলছেন, আগের তুলনায় এখন বাজারে পণ্যের বেশি চাহিদা থাকলেও পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে।ফলে পণ্যের সংকট না থাকার পরেও দাম ক্রেতাদের নাগালের বাহিরে রয়েছে ।

অপর দিকে ভিন্ন কথা বলছেন কাঁচা ব্যবসায়ীরা তারা বলেন আমরা খামারী ও আড়তদারদের কাছ থেকে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয় যার ফলে বিক্রয় বেশি করতে হয়।বাজার ঘুরে দেখা যায় অন্য চিত্র মনপুরার স্হানীয় খামারীরা দোকানদারদের তুলনায় বেশি বিক্রয় করতে দেখা গিয়েছে।

এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে বাজারে সরকারি টলঘর থাকা সত্ত্বেও সবজি ব্যবসায়িরা বাজেরর মাঝে দোকান বসিয়ে বাজারের পরিবেশ নষ্ট করারও চিত্র দীর্ঘ দিনের।বর্ষার মৌসুমে পুরো বাজারের মাঝের অবস্থা নাজুক থাকে।এনিয়ে পরবর্তী পর্বে থাকবে বিস্তারিত।ব্যবসায়িরা বলছেন অন্য কথা বেচা কিনা টলঘরে হয় না তার জন্য আমরা বাজারের মাঝে দোকান বসাই।

Manual2 Ad Code

বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে মনপুরা উপজেলা প্রশাসনের নজর দারী বাড়ানো দরকার বলে মনে করছেন স্হানীয় পর্যায়ের  ক্রেতারা।তারা জানান নিয়মিত প্রশাসনের নজর দারী থাকলে কমতে পারে শীতকালীন সবজির দাম।এবিষয়ে মনপুরা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছে স্হানীয় ক্রেতারা

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code