২২শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৩রা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

মওলানা ভাসানী সেতু উদ্বোধন

admin
প্রকাশিত আগস্ট ২১, ২০২৫, ১১:৩৮ পূর্বাহ্ণ
মওলানা ভাসানী সেতু উদ্বোধন

Manual8 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি

Manual6 Ad Code

গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলাধীন পাঁচপীর বাজার- কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলা সদর দপ্তরের সাথে সংযোগকারী সড়কে তিস্তা নদীর উপর নির্মিত ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ মওলানা ভাসানী সেতুর ফলক ও ম্যুরাল উন্মোচন করে শুভ উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দায়িত্তে নিয়োজিত উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

Manual2 Ad Code

সেতুর দক্ষিনে প্রান্তে চৌরাস্তার মোড়ে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে সেতু উদ্বোধনোত্তর এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ।

আজ বুধবার (২০ আগস্ট) দুপুরে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুর রশিদ মিয়া, গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক চৌধুরী মোয়াজ্জম আহামদ, গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী উজ্জল চৌধুরী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাজ কুমার বিশ্বাস ও স্থানীয় প্রকৌশল অধিদপ্তরের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন জেলা পর্যায়ের বিভাগীয় কর্মকর্তাগন , বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ।

সেতুটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানকে ঘিরে নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের মধ্যে আনন্দবিরাজ করছে। চারদিকে আনন্দে মেতে উঠেছে গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের চিলমারিবাসী এলাকার মানুষরা ।

উল্লেখ্য এলজিইডি সূত্রে জানা গেছে, ১ হাজার ৪৯০ মিটার দীর্ঘ এই সেতুটি এলজিইডির একটি বৃহৎ প্রকল্প। সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেনের অর্থায়নে চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না স্টেট কন্সট্রাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন পিসি গার্ডার সেতু নির্মাণ করেছে। জমি অধিগ্রহন,মুল সেতু , সংযোগ সড়ক নির্মাণ, উন্নত লাইটিং ব্যবস্থা, সম্প্রসারণ এবং নদী শাসনসহ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯৮৫ কোটি টাকা। সেতুটিতে ২৯০টি পাইল, ১৫৫টি গার্ডার, ৩০টি পিলার, ২৮টি স্প্যান বসানো হয়েছে, সেতুর দুই পাশে দেড় কিলোমিটার করে নদী শাসনের করা হয়েছে। ৮৬ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু সংযোগ সড়কে ৫৮ টি ব্রিজ-কালভাট নির্মাণ করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

এ ছাড়া অধিগ্রহণ করা হয়েছে ১৩৩ একর জমি। ২০১৪ সালের ২৬ জানুয়ারি এই সেতুর ফলক উন্মোচন করা হলেও নির্মাণকাজ শুর হয় ২০২১ সালে। ২০২৪ সালের জুনের মধ্যে অবকাঠামোর কাজ শেষ হলেও নানা জটিলতা কাটিয়ে অবশেষে জণসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হলো সেতুটি।

Manual8 Ad Code

এর ফলে দুই জেলার সরাসরি সংযুক্ত মধ্যে দিয়ে সড়কপথে যাতায়াতের সময় প্রায় ৪ ঘণ্টা কমে আসবে। সেই সাথে সড়ক পথে ঢাকার দুরুত্ব কমবে ১৩০ কিলোমিটার। সেতুটি খুলে দেওয়ায় দুই পাড়ের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং জীবনমানে বড় পরিবর্তন আসবে বলে স্থানীয়রা আশা করছেন। বিশেষ করে ব্যবসা-বাণিজ্য, যাতায়েত ও কৃষি পণ্য পরিবহন সহজ হবে। নিশ্চিত হবে ফসলের নয্য মূল্য। বাড়বে এ এলাকার শিক্ষার হার। যা এই অঞ্চলের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code