২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিত দিয়ে আবারও উত্তেজনা বাড়ালেন ট্রাম্প

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ণ
গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিত দিয়ে আবারও উত্তেজনা বাড়ালেন ট্রাম্প

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

গ্রিনল্যান্ড দখলের ইঙ্গিত দিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক উত্তেজনা বাড়ালেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

রাশিয়া ও চীনের প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ডের মালিক হতে হবে বলে দাবি করেন তিনি। প্রয়োজনে সহজ পথে অথবা কঠিন পথ বেছে নেওয়ার কথাও বলেন ট্রাম্প। তার এই বক্তব্যকে সার্বভৌমত্বের প্রতি সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছে ডেনমার্ক ও ইউরোপের মিত্ররা।

Manual6 Ad Code

আর্কটিক কৌশলের কথা উল্লেখ করে গ্রিনল্যান্ড দখলে নেয়ার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প।

ভেনেজুয়েলায় হামলা ও দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর অপটহরণের পর এবার গ্রিনল্যান্ড দখলে আগ্রাসী অবস্থান নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

Manual4 Ad Code

স্থানীয় সময় শুক্রবার (জানুয়ারি) সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি বলেন, রাশিয়া ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রিনল্যান্ড নিজেদের মালিকানায় নিতে হবে। প্রয়োজনে সহজ পথে বা কঠিন পথে এগোনোর কথাও বলেন তিনি, যা নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের সাম্প্রতিক বক্তব্য অনুযায়ী, ডেনমার্কের অধীন স্বায়ত্তশাসিত এই ভূখণ্ড কিনে নেওয়ার বিষয়টি এখনও আলোচনায় রয়েছে। একইসঙ্গে জোরপূর্বক দখলের সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করা হয়নি।

তবে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড স্পষ্ট করে জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ড বিক্রির জন্য নয়। দেশটির সরকার সতর্ক করেছে, সামরিক পদক্ষেপ নিলে ন্যাটো জোটের ঐক্যই প্রশ্নের মুখে পড়বে।

বিশ্বের সবচেয়ে কম জনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলোর একটি হলেও, উত্তর আমেরিকা ও আর্কটিকের সংযোগস্থলে অবস্থানের কারণে গ্রিনল্যান্ড কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Manual4 Ad Code

ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা ও আর্কটিক অঞ্চলে নৌ চলাচল নজরদারিতে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। এরই মধ্যেই গ্রিনল্যান্ডের পিটুফিক ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের শতাধিক সেনা স্থায়ীভাবে মোতায়েন রয়েছে।

তবে ট্রাম্পের দাবি, বিদ্যমান নিরাপত্তা চুক্তি যথেষ্ট নয়। তার ভাষায়, ৯ বছর বা ১০০ বছরের চুক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করে না—মালিকানা থাকতে হয়। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, গ্রিনল্যান্ড রুশ ও চীনা জাহাজে ভরে গেছে। যদিও এই দাবির পক্ষে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি।

ট্রাম্পের বক্তব্যের পর ডেনমার্কের পাশে দাঁড়িয়েছে ইউরোপের প্রধান দেশগুলো ও কানাডা। এক যৌথ অবস্থানে তারা জানায়, গ্রিনল্যান্ডের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জনগণের।

Manual1 Ad Code

আর্কটিক নিরাপত্তা জোরদারের আহ্বান জানালেও, তারা একই সঙ্গে জাতিসংঘ সনদের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্তের অখণ্ডতার নীতির ওপর জোর দিয়েছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code