২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় চিরুনি অভিযানে ২৬ বাংলাদেশিসহ আটক ৭৭

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৯:১৯ পূর্বাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় চিরুনি অভিযানে ২৬ বাংলাদেশিসহ আটক ৭৭

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মালয়েশিয়ার নেগারি সেম্বিলান রাজ্যে অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। সেরেম্বান ও নিলাই এলাকার ১৩টি ভিন্ন স্থানে পরিচালিত এই অভিযানে ২৬ বাংলাদেশিসহ মোট ৭৭ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে।

এর মধ্যে একটি সাবান কারখানা থেকেই ৫৫ জনকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে নেগারি সেম্বিলান অভিবাসন বিভাগের পরিচালক কেনিথ তান আই কিয়াং এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Manual4 Ad Code

বিবৃতিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ এবং প্রায় এক সপ্তাহের গোপন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়।

গত মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বুধবার রাত ১টা পর্যন্ত টানা ১৬ ঘণ্টা এই তল্লাশি অভিযান চলে। অভিযান চলাকালে ওই এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনায় থাকা মোট ৩৯৫ জন বিদেশি নাগরিকের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়। প্রাথমিক যাচাই শেষে বৈধ নথিপত্র না থাকায় ৭৭ জনকে আটক করে পুলিশ।

Manual5 Ad Code

আটকদের মধ্যে ৭১ জন পুরুষ এবং ৬ জন নারী রয়েছেন, যাদের বয়স ১৯ থেকে ৪৭ বছরের মধ্যে। তাদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশি ২৬, ভারতীয় ২৬, পাকিস্তানি ১০, থাই ৬, মিয়ানমারের ৫ ও ইন্দোনেশিয়ার ৪ জন নাগরিক।

পরিচালক কেনিথ তান জানান, নিলাইয়ের একটি সাবান কারখানায় অভিযান চালিয়ে সবচেয়ে বড় সাফল্য পায় অভিবাসন বিভাগ। সেখান থেকেই এককভাবে ৫৫ জনকে আটক করা হয়েছে।

আটকদের বিরুদ্ধে প্রধানত দুটি অভিযোগ আনা হয়েছে– বৈধ পাসপোর্ট বা ট্রাভেল ডকুমেন্ট না থাকা এবং ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও অবৈধভাবে অবস্থান (ওভারস্টে) করা।

Manual8 Ad Code

তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৬৬ এবং ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের অধিকতর তদন্তের জন্য লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে।

অভিযান শেষে বিভাগীয় প্রধান কেনিথ তান স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শুধু অবৈধ অভিবাসীই নয়, যারা তাদের আশ্রয় দিচ্ছে বা কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধেও জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে। দোষী প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তাদের কঠোর আইনি দণ্ড ও আদালতের মুখোমুখি হতে হবে।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code