২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

নির্বাচনের প্রথম ধাপ শেষে সংঘবদ্ধ হামলার মুখে মিয়ানমার সেনাবাহিনী!

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
নির্বাচনের প্রথম ধাপ শেষে সংঘবদ্ধ হামলার মুখে মিয়ানমার সেনাবাহিনী!

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপ শেষে দেশজুড়ে জান্তা বাহিনীর ওপর হামলা বেড়েছে। রাখাইনের রাজধানী সিতওয়ে এবং উপকূলীয় শহর কায়াকফিউতে ছড়িয়ে পড়েছে সংঘাত। রাখাইন-বাগো সীমান্তে আরাকান আর্মির অতর্কিত হামলায় নিহত হয়েছেন জান্তা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ এক কমান্ডার।

Manual8 Ad Code

এদিকে, বিদ্রোহীদের সংঘবদ্ধ হামলার মুখে সাগাইংয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর ‘কাথা’র নিয়ন্ত্রণও হারাতে বসেছে জান্তা বাহিনী।

Manual3 Ad Code

মিয়ানমারে ‘বিতর্কিত’ জাতীয় নির্বাচন শুরুর পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশটির নিরাপত্তাব্যবস্থা। প্রথম দফার ভোটাভুটি শেষে এবং দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে সহিংসতা।

রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিতওয়ে এবং উপকূলীয় শহর কায়াকফিউতে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে।

সংবাদমাধ্যম ইরাবতী জানিয়েছে, আরাকান আর্মি কায়াকফিউতে হামলা জোরদার করেছে। এই শহরটি চীনের বড় বিনিয়োগ প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু। আরাকান আর্মির দাবি, তারা এখন শহরের আরও কাছাকাছি চলে এসেছে। লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে আশপাশের সামরিক চৌকিগুলোকে।

অন্যদিকে রাখাইন–বাগো সীমান্তে আরাকান আর্মির অতর্কিত হামলায় নিহত হয়েছেন জান্তা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ এক কমান্ডার। পানিবেষ্টিত হওয়ায় শহরটি দখল করা কঠিন হলেও শহরের বাইরে সামরিক চৌকিতে ড্রোন ও ভারি অস্ত্রের হামলায় ডজনখানেক জান্তা সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির ঘনিষ্ঠ সূত্রের।

Manual4 Ad Code

এদিকে সাগাইংয়ের গুরুত্বপূর্ণ শহর কাথা’র নিয়ন্ত্রণ হারানোর মুখে জান্তা বাহিনী। শহরটিতে ঢুকে পড়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সদস্যরা। দখল করেছে সেনাদের প্রধান প্রবেশ চেকপোস্ট। এই অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছে কাচিন ইন্ডিপেনডেন্স আর্মি বা কেআইএ। সঙ্গে রয়েছে অল বার্মা স্টুডেন্টস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট, জাতীয় ঐক্য সরকারের অধীন ইউনিট, স্প্রিং রেভ্যুলেশন অ্যালায়েন্স ও কাথা পিপলস ডিফেন্স ফোর্স।

Manual8 Ad Code

বিশ্লেষকদের মতে, কাথা’র ভৌগোলিক অবস্থান একে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। শহরটির নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হলে জান্তা বাহিনীর জন্য বড় আঘাত হবে, কারণ সাগাইং ও কাচিনে রসদ সরবরাহে তারা এখন ইরাবতী নদীর ওপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code