২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মালদ্বীপের বিশেষ দূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২, ২০২৬, ০৭:০১ অপরাহ্ণ
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে মালদ্বীপের বিশেষ দূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual6 Ad Code

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত উচ্চশিক্ষা, শ্রম ও দক্ষতা উন্নয়নমন্ত্রী ড. আলী হায়দার আহমেদ।বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত হিসেবে মন্ত্রী ড. আলী হায়দার আহমেদ বাংলাদেশে এসেছিলেন। বৈঠকে, প্রধান উপদেষ্টা স্বল্প নোটিশে বাংলাদেশ সফরের জন্য মালদ্বীপের মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

Manual8 Ad Code

এসময় ড. আলী হায়দার আহমেদ বলেন, মালদ্বীপের সমাজ ও অর্থনীতিতে বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মীদের উল্লেখযোগ্য অবদানের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সঙ্গে মালদ্বীপের সম্পর্ক বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

Manual2 Ad Code

পাশাপাশি মালদ্বীপের মেডিকেল শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ সম্পন্নের সুযোগ প্রদানে বাংলাদেশের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, মালদ্বীপ বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু রাষ্ট্র।

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক)-এর সকল সদস্য রাষ্ট্রের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাতের অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে সার্ক এখনও সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক রয়েছে।

Manual5 Ad Code

মালদ্বীপের মন্ত্রী ড. আলী হায়দার আহমেদ বাংলাদেশের আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টার প্রতি শুভকামনা জানান। এসময় ড. ইউনূস দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন এবং মালদ্বীপের অব্যাহত সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code