২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

দুর্বল ইয়েনে ভর করে পর্যটনে রেকর্ড জাপানের

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১, ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ণ
দুর্বল ইয়েনে ভর করে পর্যটনে রেকর্ড জাপানের

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual8 Ad Code

পর্যটন খাতে নতুন মাইলফলক স্পর্শ করলো জাপান। দেশটির পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে প্রথমবারের মতো জাপানে ভ্রমণকারী বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা ৪ কোটি ছাড়িয়েছে। দুর্বল ইয়েন ও কোভিড-পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক ভ্রমণ স্বাভাবিক হওয়ায় এই প্রবৃদ্ধি বলে মনে করা হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

জাপানের টোকিওর একটি জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ আসাকুসা জেলার সেনসো-জি মন্দিরের দিকে যাওয়ার পথে নাকামিসে স্ট্রিট ধরে পর্যটকরা হেঁটে যাচ্ছেন।

Manual2 Ad Code

পর্যটন খাতে নতুন আশার আলো দেখছে সূর্যোদয়ের দেশ জাপান। ২০২৫ সালে দেশটিতে আগত বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ২৭ লাখে, যা জাপানের পর্যটন ইতিহাসে সর্বোচ্চ। সীমান্ত পুরোপুরি খুলে দেয়া, আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাড়ানো এবং দুর্বল ইয়েনের কারণে জাপান বিদেশিদের কাছে সাশ্রয়ী গন্তব্যে পরিণত হওয়ায় এই রেকর্ড প্রবৃদ্ধি সম্ভব হয়েছে।

করোনা মহামারির সময় জাপানের পর্যটন খাত সবচেয়ে বড় ধাক্কা খায়। আন্তর্জাতিক ভ্রমণ প্রায় বন্ধ থাকায় বিদেশি পর্যটকের সংখ্যা তলানিতে নেমে যায়। তবে ২০২৪ সাল থেকে খাতটি ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে। ওই বছর ৩ কোটি ৬৮ লাখের বেশি বিদেশি পর্যটক জাপান ভ্রমণ করেন, যা মহামারির আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়ে ২০২৫ সালের নতুন সাফল্য গড়ে।

Manual1 Ad Code

ইতিবাচক অগ্রগতির মধ্যেও একটি উদ্বেগজনক দিক সামনে এসেছে। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে চীন থেকে আসা পর্যটকের সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪৫ শতাংশ কমেছে। চীন জাপানের অন্যতম বড় পর্যটন বাজার হওয়ায় এই পতনকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

চীনা পর্যটকের সংখ্যা হ্রাসের কারণগুলো নিয়ে জাপান সরকার বিস্তারিত পর্যালোচনা করছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং তাদের আস্থা পুনরুদ্ধারে কূটনৈতিক যোগাযোগ জোরদারসহ বিভিন্ন পর্যটন প্রচারণা ও নীতিগত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, ভবিষ্যতে সব দেশ থেকেই পর্যটকের আগমন বাড়ানো।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code