২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ভিজিট ভিসায় মালয়েশিয়া গিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের জন্য দুঃসংবাদ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ০৭:৪৩ অপরাহ্ণ
ভিজিট ভিসায় মালয়েশিয়া গিয়ে কাজ করা ব্যক্তিদের জন্য দুঃসংবাদ

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual4 Ad Code

মালয়েশিয়ায় ট্যুরিস্ট বা ভিজিট ভিসা ব্যবহার করে অবৈধভাবে কাজ করা বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটির সরকার।মালয়েশিয়ার যোগাযোগমন্ত্রী ও সরকারি মুখপাত্র ফাহমি ফাজিল।

Manual6 Ad Code

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এই অবস্থানের কথা জানান দেশটির যোগাযোগমন্ত্রী ও সরকারি মুখপাত্র ফাহমি ফাজিল।

সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, সম্প্রতি মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক মহলের পক্ষ থেকে ট্যুরিস্ট ভিসায় আসা বিদেশিদের অবৈধভাবে কাজ করা নিয়ে ব্যাপক অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় এবং আইনি কাঠামো বজায় রাখতে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সরকার জানিয়েছে, অনেক বিদেশি নাগরিক পর্যটক হিসেবে মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করে বিভিন্ন খাতে অননুমোদিতভাবে কাজে যুক্ত হচ্ছেন। এতে দেশের শ্রমবাজারের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে এবং আইনি জটিলতা তৈরি হচ্ছে। এই অপব্যবহার রুখতে সরকার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে দ্রুত মাঠে নামার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।যারা ভিসার শর্ত লঙ্ঘন করে কাজে লিপ্ত হবে, তাদের বিরুদ্ধে বিলম্ব না করে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Manual7 Ad Code

যোগাযোগমন্ত্রী ফাহমি স্পষ্ট করে বলেন, ‘ব্যবসায়িক সম্প্রদায় এবং বিভিন্ন মহলের উদ্বেগের প্রেক্ষিতেই আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যারা ভিজিটর ভিসার অপব্যবহার করে কাজ করছেন, তাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো কঠোর ব্যবস্থা নেবে।’

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code