২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেউ না’ মন্তব্য মার্কিন দূতের

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১৩, ২০২৬, ১২:৩১ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ভারতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কেউ না’ মন্তব্য মার্কিন দূতের

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

ভারতের মতো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আর কোনো দেশ এতটা গুরুত্বপূর্ণ নয়— এমন মন্তব্য করেছেন মার্কিন দূত সার্জিও গোর।

একইসঙ্গে তিনি ঘোষণা করেছেন, ওয়াশিংটন এবং নয়াদিল্লি আগামী মঙ্গলবার থেকে তাদের পরবর্তী দফার বাণিজ্য চুক্তি আলোচনা পুনরায় শুরু করতে যাচ্ছে।ট্রাম্প আগামী বছর ভারত সফরে আসতে পারে বলে জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

Manual6 Ad Code

দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত গোর আরও বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প আগামী বছরের মধ্যে ভারত সফর করতে পারেন।

Manual5 Ad Code

দিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে, গোর জোর দিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে ট্রাম্পের বন্ধুত্ব ‘আসল’ এবং এ কারণেই তাদের মতপার্থক্যগুলো সমাধান করা সম্ভব।

গোর ভাষণে বলেন, ‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত কেবল অভিন্ন স্বার্থের জন্য নয় বরং সর্বোচ্চ স্তরে স্থাপিত সম্পর্কের দ্বারা আবদ্ধ। প্রকৃত বন্ধুরা দ্বিমত পোষণ করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাদের মতপার্থক্যের সমাধান করে।’

Manual6 Ad Code

তিনি উল্লেখ করেন যে, নয়াদিল্লি এবং ওয়াশিংটনের সম্পর্কের জন্য বাণিজ্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও, উভয় দেশ নিরাপত্তা, সন্ত্রাসবাদ দমন, জ্বালানি, প্রযুক্তি, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যের মতো অন্যান্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রেও একসাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে চলেছে।

‘আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সাথে সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছি এবং আমি প্রমাণ করতে পারি যে প্রধানমন্ত্রী মোদির সাথে তার বন্ধুত্ব খাঁটি।’ গোর জোর দিয়ে বলেন।

Manual3 Ad Code

‘ভারতের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আর কোনো অংশীদার নেই। আগামী মাস এবং বছরগুলোতে, রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমার লক্ষ্য হল একটি অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী এজেন্ডা অনুসরণ করা। আমরা প্রকৃত কৌশলগত অংশীদার হিসেবে এটি করব। প্রত্যেকে শক্তি, সম্মান এবং নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনার টেবিলে আসব।’ তিনি বলেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code