২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

গাজার প্রশাসন থেকে পুরোপুরি সরে যেতে প্রস্তুত হামাস: বাসেম নাঈম

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১১, ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ণ
গাজার প্রশাসন থেকে পুরোপুরি সরে যেতে প্রস্তুত হামাস: বাসেম নাঈম

Manual8 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual6 Ad Code

গাজার প্রশাসনিক ক্ষমতা ছেড়ে যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপে যেতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এর মধ্যেও চলছে ইসরাইলি হামলা।

Manual7 Ad Code

স্থানীয় সময় শনিবার (১০ জানুয়ারি) নেতানিয়াহু বাহিনীর হামলায় অন্তত তিন ফিলিস্তিনি নিহত হন। বৃহস্পতিবারের হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জনে।

হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ও গাজার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাসেম নাঈম

Manual6 Ad Code

শনিবার হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ও গাজার সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাসেম নাঈম বলেন, হামাস গাজার সরকারি প্রশাসন থেকে পুরোপুরি সরে যেতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদনের পর যুদ্ধবিরতি একটি আন্তর্জাতিক পরিকল্পনায় পরিণত হয়েছে।

Manual1 Ad Code

কিন্তু ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছেন বলে অভিযোগ করেন এই হামাস নেতা।

নাঈমের দাবি, যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় শতাধিক হতাহত হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের সম্মতি ছাড়া সম্ভব নয়।

এদিকে কাগজে-কলমে যুদ্ধবিরতি চললেও গাজায় থেমে নেই ইসরাইলি হামলা। স্থানীয় সময় শনিবার গাজার বিভিন্ন জায়গায় আক্রমণ চালায় নেতানিয়াহু বাহিনী। এতে শিশুসহ বেশ কয়েকজন হতাহত হন। নুসেইরাত ও বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে আবাসিক ভবনে হামলা হয়।

রাফাহ, আল-মাওয়াসি ও গাজা সিটির আসকুলা এলাকায়ও হতাহতের খবর পাওয়া যায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কোনো সতর্কতা ছাড়াই চালানো হয় এসব হামলা। ইসরাইলি সেনাবাহিনীর দাবি, গাজা থেকে রকেট নিক্ষেপের ব্যর্থ চেষ্টার পর এসব হামলা চালানো হয়।

গাজার মানবিক পরিস্থিতি আরও খারাপ হচ্ছে। তীব্র শীত ও ত্রাণ প্রবেশে বাধার কারণে সাত দিনের এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে দেইর আল-বালাহ এলাকায়। স্বাস্থ্য ও সিভিল ডিফেন্স জানায়, প্রয়োজনীয় তাঁবু ও নির্মাণ সামগ্রী ঢুকতে না দেয়ায় মানুষ ঝুঁকিপূর্ণ আশ্রয়ে বাস করছে।

জাতিসংঘের হিসাবে, গাজার প্রায় ৮০ শতাংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭১ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ৭১ হাজারের বেশি আহত হয়েছেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code