১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

নির্বাচনের প্রথম ধাপ শেষে সংঘবদ্ধ হামলার মুখে মিয়ানমার সেনাবাহিনী!

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ণ
নির্বাচনের প্রথম ধাপ শেষে সংঘবদ্ধ হামলার মুখে মিয়ানমার সেনাবাহিনী!

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মিয়ানমারের জাতীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপ শেষে দেশজুড়ে জান্তা বাহিনীর ওপর হামলা বেড়েছে। রাখাইনের রাজধানী সিতওয়ে এবং উপকূলীয় শহর কায়াকফিউতে ছড়িয়ে পড়েছে সংঘাত। রাখাইন-বাগো সীমান্তে আরাকান আর্মির অতর্কিত হামলায় নিহত হয়েছেন জান্তা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ এক কমান্ডার।

এদিকে, বিদ্রোহীদের সংঘবদ্ধ হামলার মুখে সাগাইংয়ে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর ‘কাথা’র নিয়ন্ত্রণও হারাতে বসেছে জান্তা বাহিনী।

মিয়ানমারে ‘বিতর্কিত’ জাতীয় নির্বাচন শুরুর পর থেকেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে দেশটির নিরাপত্তাব্যবস্থা। প্রথম দফার ভোটাভুটি শেষে এবং দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে সহিংসতা।

Manual1 Ad Code

রাখাইন রাজ্যের রাজধানী সিতওয়ে এবং উপকূলীয় শহর কায়াকফিউতে জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে।

Manual5 Ad Code

সংবাদমাধ্যম ইরাবতী জানিয়েছে, আরাকান আর্মি কায়াকফিউতে হামলা জোরদার করেছে। এই শহরটি চীনের বড় বিনিয়োগ প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু। আরাকান আর্মির দাবি, তারা এখন শহরের আরও কাছাকাছি চলে এসেছে। লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছে আশপাশের সামরিক চৌকিগুলোকে।

Manual5 Ad Code

অন্যদিকে রাখাইন–বাগো সীমান্তে আরাকান আর্মির অতর্কিত হামলায় নিহত হয়েছেন জান্তা বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ এক কমান্ডার। পানিবেষ্টিত হওয়ায় শহরটি দখল করা কঠিন হলেও শহরের বাইরে সামরিক চৌকিতে ড্রোন ও ভারি অস্ত্রের হামলায় ডজনখানেক জান্তা সেনা নিহত হয়েছে বলে দাবি বিদ্রোহী গোষ্ঠীটির ঘনিষ্ঠ সূত্রের।

এদিকে সাগাইংয়ের গুরুত্বপূর্ণ শহর কাথা’র নিয়ন্ত্রণ হারানোর মুখে জান্তা বাহিনী। শহরটিতে ঢুকে পড়েছে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সদস্যরা। দখল করেছে সেনাদের প্রধান প্রবেশ চেকপোস্ট। এই অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছে কাচিন ইন্ডিপেনডেন্স আর্মি বা কেআইএ। সঙ্গে রয়েছে অল বার্মা স্টুডেন্টস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট, জাতীয় ঐক্য সরকারের অধীন ইউনিট, স্প্রিং রেভ্যুলেশন অ্যালায়েন্স ও কাথা পিপলস ডিফেন্স ফোর্স।

Manual3 Ad Code

বিশ্লেষকদের মতে, কাথা’র ভৌগোলিক অবস্থান একে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। শহরটির নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া হলে জান্তা বাহিনীর জন্য বড় আঘাত হবে, কারণ সাগাইং ও কাচিনে রসদ সরবরাহে তারা এখন ইরাবতী নদীর ওপরই সবচেয়ে বেশি নির্ভরশীল।

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code