২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বাংলাদেশিদের জন্য কঠিন হলো যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, কার্যকর কবে থেকে?

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিদের জন্য কঠিন হলো যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, কার্যকর কবে থেকে?

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাংলাদেশসহ ৩৮ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া কঠিন করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটিতে ভ্রমণে ১৫ হাজার ডলার বা আঠারো লাখ টাকা পর্যন্ত জামানত দিতে হবে। ২১ জানুয়ারি থেকে নতুন এ ভিসা নীতি কার্যকর হবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ৬ জানুয়ারি ভিসা বন্ডের আওতায় পড়া দেশগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে।

Manual7 Ad Code

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে জানিয়েছিলেন, অন্যান্য অনেক দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিরাও অনেক বেশি সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে থাকেন।

আর এটি শতকরা হিসেবে প্রায় ৫৫ শতাংশ বাংলাদেশি পরিবার।অভিবাসন ইস্যুতে আইসের ধরপাকড়ের মধ্যে ট্রাম্পের এমন তথ্যে এর কার্যকরণ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন প্রবাসীরা। একদিন যেতে না যেতেই তা যেন মূর্তিমান আতংক হয়ে ধরা দিল।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ৬ জানুয়ারি ভিসা বন্ডের আওতায় পড়া দেশগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে।

এতেই যুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশের নাম।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৩৮ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার জন্য ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানত জমা দিতে হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, কোনো আবেদনকারী ভিসার জন্য যোগ্য বিবেচিত হলেও কনস্যুলার অফিসার চাইলে তার ওপর এই বন্ডের শর্তারোপ করতে পারেন।

বন্ডের অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পে-গভ-এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসার নির্দেশনা দেয়ার আগে কোনো অর্থ জমা না দেয়ার জন্য ভিসাপ্রত্যাশীদের সতর্ক করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা অবৈধভাবে থেকে যান, তাদের নিরুৎসাহিত করা। মূলত যেসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফিরে না আসার হার বেশি, সেসব দেশকেই এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, বন্ডের টাকা স্থায়ীভাবে কেটে রাখা হবে না। এটি একটি ফেরতযোগ্য জামানত। কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন বা স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন, তবে সেই জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে।

Manual6 Ad Code

ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীরা অর্থাৎ বাংলাদেশিরা এখন কেবল তিন বিমানবন্দর অর্থাৎ জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ও ওয়াশিংটন ডুলাস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে যাদের যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা রয়েছে তাদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলেনি মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code