২৩শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৪ঠা শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

বাংলাদেশিদের জন্য কঠিন হলো যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, কার্যকর কবে থেকে?

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৮, ২০২৬, ০৮:১৩ অপরাহ্ণ
বাংলাদেশিদের জন্য কঠিন হলো যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা, কার্যকর কবে থেকে?

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে বাংলাদেশসহ ৩৮ দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়া কঠিন করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটিতে ভ্রমণে ১৫ হাজার ডলার বা আঠারো লাখ টাকা পর্যন্ত জামানত দিতে হবে। ২১ জানুয়ারি থেকে নতুন এ ভিসা নীতি কার্যকর হবে।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ৬ জানুয়ারি ভিসা বন্ডের আওতায় পড়া দেশগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে।

সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ট্রুথ সোশ্যালে জানিয়েছিলেন, অন্যান্য অনেক দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশিরাও অনেক বেশি সরকারি সুযোগ-সুবিধা নিয়ে থাকেন।

Manual7 Ad Code

আর এটি শতকরা হিসেবে প্রায় ৫৫ শতাংশ বাংলাদেশি পরিবার।অভিবাসন ইস্যুতে আইসের ধরপাকড়ের মধ্যে ট্রাম্পের এমন তথ্যে এর কার্যকরণ নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন প্রবাসীরা। একদিন যেতে না যেতেই তা যেন মূর্তিমান আতংক হয়ে ধরা দিল।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ৬ জানুয়ারি ভিসা বন্ডের আওতায় পড়া দেশগুলোর হালনাগাদ তালিকা প্রকাশ করেছে।

Manual3 Ad Code

এতেই যুক্ত করা হয়েছে বাংলাদেশের নাম।নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ৩৮ দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা পাওয়ার জন্য ৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানত জমা দিতে হবে।

Manual8 Ad Code

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, কোনো আবেদনকারী ভিসার জন্য যোগ্য বিবেচিত হলেও কনস্যুলার অফিসার চাইলে তার ওপর এই বন্ডের শর্তারোপ করতে পারেন।

Manual3 Ad Code

বন্ডের অর্থ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম পে-গভ-এর মাধ্যমে জমা দিতে হবে। তবে কনস্যুলার অফিসার নির্দেশনা দেয়ার আগে কোনো অর্থ জমা না দেয়ার জন্য ভিসাপ্রত্যাশীদের সতর্ক করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, এই পাইলট প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পর যারা অবৈধভাবে থেকে যান, তাদের নিরুৎসাহিত করা। মূলত যেসব দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে ফিরে না আসার হার বেশি, সেসব দেশকেই এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর জানিয়েছে, বন্ডের টাকা স্থায়ীভাবে কেটে রাখা হবে না। এটি একটি ফেরতযোগ্য জামানত। কেউ যদি নির্ধারিত সময়ের বেশি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করেন বা স্ট্যাটাস পরিবর্তনের আবেদন করেন, তবে সেই জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করা হবে।

ভিসা বন্ড প্রদানকারী যাত্রীরা অর্থাৎ বাংলাদেশিরা এখন কেবল তিন বিমানবন্দর অর্থাৎ জন এফ কেনেডি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, বোস্টন লোগান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট ও ওয়াশিংটন ডুলাস ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন। তবে যাদের যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা রয়েছে তাদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলেনি মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code