২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইরানে বিক্ষোভ: প্রাণহানি বেড়ে ৩৫ আটক অন্তত ১২০০

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৭, ২০২৬, ০১:১১ অপরাহ্ণ
ইরানে বিক্ষোভ: প্রাণহানি বেড়ে ৩৫ আটক অন্তত ১২০০

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে ইরানে চলমান বিক্ষোভে প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৫ জনে। আটক করা হয়েছে ১ হাজার ২শ’র বেশি মানুষকে।

Manual3 Ad Code

সোমবার (৫ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে এমন দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সি। এদিকে, বিক্ষোভকারীদের সমর্থন দেয়ায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের তীব্র সমালোচনা করেছে তেহরান।

পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার কবলে থাকা ইরান উত্তাল হয়ে উঠেছে সরকারবিরোধী বিক্ষোভে। অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে চলমান বিক্ষোভ রূপ নিয়েছে সহিংসতায়।

Manual5 Ad Code

যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সির তথ্যমতে, বিক্ষোভ ঘিরে সহিংসতায় নিহতের সংখ্যা বাড়ছেই। আটক করা হয়েছে ১ হাজার ২শ’র বেশি মানুষকে।

Manual3 Ad Code

সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে ২৯ জন বিক্ষোভকারী, চার শিশু এবং ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর দুই সদস্য আছেন।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ বলছে, বিক্ষোভে এ পর্যন্ত অন্তত ৩শ’ পুলিশ ও আইআরজিসি সদস্য আহত হয়েছেন।

Manual5 Ad Code

এর মধ্যেই, বিক্ষোভকারীদের সমর্থন দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই।

সোমবার সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এমন মন্তব্য ‘সহিংসতা উসকে দেয়ার শামিল’ উল্লেখ করে বাঘাই বলেন, সম্ভাব্য সব হুমকির বিরুদ্ধে ইরান জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

এদিকে, এমন পরিস্থিতিতে ব্রিটিশ দৈনিক দ্য টাইমস এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি একটি ‘প্ল্যান বি’ প্রস্তুত রেখেছেন।

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভ দমনে ব্যর্থ হলে বা আদেশ মানতে অস্বীকৃতি জানালে ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও পরিবারের সদস্যদের নিয়ে দেশ ছাড়তে পারেন খামেনি।

সম্ভাব্য গন্তব্য হিসেবে রাশিয়ার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code