২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মিয়ানমারে নির্বাচনের মাঝেই স্কুলে বিমান হামলা!

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ণ
মিয়ানমারে নির্বাচনের মাঝেই স্কুলে বিমান হামলা!

Manual6 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মিয়ানমারে সাগাইংয়ের একটি স্কুলে বিমান হামলা চালিয়েছে জান্তা বাহিনী। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। চলমান সহিংসতার মধ্যেই প্রথম দফার ভোটে এগিয়ে থাকার দাবি করেছে সেনাসমর্থিত দল ইউএসডিপি।

Manual8 Ad Code

সাগাইং অঞ্চলের তাবাইন টাউনশিপের মুকাংই গ্রামে বিমান হামলা চালিয়েছে জান্তা বাহিনী। আশ্রয়শিবির হিসেবে ব্যবহার করা স্কুলটিতে ছিলেন অন্তত ১০০ জন বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা। জান্তার বোমার আঘাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

Manual2 Ad Code

শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানায় স্থানীয় গণমাধ্যম।

স্থানীয়রা জানান, ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলটির পাশে থাকা বাড়িগুলোও বেশ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এর আগেও একই গ্রামে হামলায় প্রাণ হারান ছয়জন বাস্তুচ্যুত। খাবার ও নিরাপদ আশ্রয়ের সংকটে দিন কাটছে মান্দালয় থেকে পালিয়ে সাগাইংয়ে যাওয়া মানুষদের।

Manual4 Ad Code

গেল বছরের ২৮ ডিসেম্বর থেকে মিয়ানমারে শুরু হয়েছে নির্বাচন। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে, প্রথম ধাপের ভোটে সেনা সমর্থিত ইউএসডিপি দল বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছে।
তবে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫২ শতাংশ, যা দেশটিতে হওয়া বিগত নিবার্চনের তুলনায় কম। জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলোর দাবি, এই নির্বাচন অবাধ ও বিশ্বাসযোগ্য নয়।

Manual4 Ad Code

বিশ্লেষকরা বলছেন, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে মিয়ানমারের জান্তা সরকার। তবে নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে সংশয় বিভিন্ন মহলে সংশয় থাকায় তা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code