২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার নিন্দা, ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া!

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার নিন্দা, ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল উত্তর কোরিয়া!

Manual5 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

চীনে প্রতিদ্বন্দ্বী দক্ষিণ কোরীয় নেতার রাষ্ট্রীয় সফর শুরুর দিন এবং ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার কয়েক ঘণ্টা পরই, রোববার (৪ জানুয়ারি) উত্তর কোরিয়া ‘ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র’ উৎক্ষেপণ করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

Manual4 Ad Code

সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ট্রাম্পের নির্দেশে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলা এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করার পর, কমপক্ষে দু’টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া।

তবে পিয়ংইয়ং এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।
প্রতিবেদন অনুসারে, দুই মাসের মধ্যে এটি উত্তর কোরিয়ার প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা, যা বিশ্বব্যাপী উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে।

Manual3 Ad Code

রোববার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং-এর চীন সফর শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে উত্তর কোরিয়া তাদের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করে।

Manual4 Ad Code

সিউলের ইনস্টিটিউট ফর ফার ইস্টার্ন স্টাডিজের অধ্যাপক লিম ইউল-চুল এর মতে, কোরিয়া ও জাপানের মধ্যবর্তী সমুদ্রে রাজধানী পিয়ংইয়ং থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ ছিল চীনের প্রতি দক্ষিণ কোরিয়ার সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রোধ করার এবং পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের বিষয়ে চীনের অবস্থানের বিরুদ্ধে থাকার একটি বার্তা।

এছাড়াও, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার নিন্দা জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘সার্বভৌমত্বের ওপর সবচেয়ে গুরুতর হস্তক্ষেপ’ বলে অভিহিত করেছে উত্তর কোরিয়া।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ’র বরাত দিয়ে এ খবর জানায় আল জাজিরা।

উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্রের বরাত দিয়ে কেসিএনএ জানায়, ‘এই ঘটনাটি আরেকটি উদাহরণ যা স্পষ্টভাবে আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুর্বৃত্ত এবং নৃশংস স্বভাবকে তুলে ধরেছে।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code