২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার পর প্রথম প্রকাশ্য বিবৃতিতে যা বললেন বিরোধী দলীয় নেত্রী মাচাদো

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ণ
ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার পর প্রথম প্রকাশ্য বিবৃতিতে যা বললেন বিরোধী দলীয় নেত্রী মাচাদো

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মার্কিন হামলার পর প্রথম প্রকাশ্য বিবৃতি দিলেন ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেত্রী শান্তিতে নোবেলজয়ী মারিয়া করিনা মাচাদো।

Manual7 Ad Code

বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর জায়গায় বিরোধী নেতা এডমান্ডো গঞ্জালেজ উরুতিয়াকে দায়িত্ব নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
ভেনেজুয়েলার বিরোধী দলীয় নেত্রী শান্তিতে নোবেলজয়ী মারিয়া করিনা মাচাদো।

মাচাদো বহু আগে থেকেই ভেনেজুয়েলার মাদুরো সরকারকে উৎখাতের কথা বলে আসছেন। এমনকি এজন্য তিনি প্রকাশ্যেই মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের আহ্বানও জানান। গত বছর তাকে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করা হয়। এর ফলে নরওয়ের সঙ্গে মাদুরো সরকারের কূটনৈতিক টানাপোড়েন দেখা দেয়।

শনিবার (৩ জানুয়ারি) এক্স-এ প্রকাশিত এক চিঠিতে মাচাদো বলেছেন, ‘আলোচনার মাধ্যমে সমাধান গ্রহণে অস্বীকৃতি জানানোর’ পর যুক্তরাষ্ট্র মাদুরোকে অপসারণ করেছে এবং মাদুরোর বিরোধীরা এখন ‘আমাদের ম্যান্ডেট নিয়ে ক্ষমতা দখল করতে প্রস্তুত’। বার্তায় তিনি এডমান্ডো গঞ্জালেজ উরুতিয়াকে অবিলম্বে প্রেসিডেন্ট পদ গ্রহণের আহ্বান জানান।

Manual2 Ad Code

২০২৪ সালের জুলাইয়ে ভেনেজুয়েলায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। এই নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর বিপক্ষে লড়েন বিরোধী প্রার্থী গঞ্জালেজ (৭৫)। নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। মাদুরোকে জয়ী ঘোষণা করে দেশটির নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। তবে বিরোধীরা এই ফলাফল মানতে অস্বীকৃতি জানায়। তারা দাবি করে, নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী গঞ্জালেজ জয়ী হয়েছেন।

Manual3 Ad Code

বিতর্কিত নির্বাচনের পর থেকে বিরোধীদের ওপর দমন-নিপীড়ন চালিয়ে আসছে মাদুরো সরকার। এরপর গঞ্জালেজের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন দেশটির একটি আদালত। তার বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ আনা হয়। এ ছাড়া অন্যান্য অপরাধের অভিযোগও আনা হয়। এমন পরিস্থিতিতে দেশ ছেড়ে স্পেনে আশ্রয় নেন।

কয়েক মাসের অব্যাহত সামরিক চাপ ও হুমকি-ধামকির পর আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) ভোরে ভেনেজুয়েলায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার পরপরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিশ্চিত করেন, মার্কিন বাহিনী ‘ভেনেজুয়েলা এবং এর নেতার বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ পরিসরে হামলা‘ চালিয়েছে।

Manual8 Ad Code

সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার পরিচালিত অভিযানে মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে এবং বিমানে করে তুলে আনা হয়েছে’।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code