২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মিয়ানমারে প্রতিরোধ বাহিনীর হামলায় ৪০ জান্তা সেনা নিহত

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৮:৩৮ অপরাহ্ণ
মিয়ানমারে প্রতিরোধ বাহিনীর হামলায় ৪০ জান্তা সেনা নিহত

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual6 Ad Code

মিয়ানমারের রাজধানী নেপিদোর দক্ষিণে জান্তাবিরোধী জাতীয় ঐক্যের সরকারের (এনইউজি) নেতৃত্বাধীন প্রতিরোধ বাহিনী পিপলস ডিফেন্স ফোর্স (পিডিএফ)-এর যোদ্ধাদের ধারাবাহিক হামলায় অন্তত ৪০ জান্তা সেনা নিহত হয়েছে।

Manual3 Ad Code

বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) প্রতিরোধ বাহিনীর বরাতে এ খবর জানায় স্থানীয় গণমাধ্যম মিয়ানমার নাউ।

Manual5 Ad Code

গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে নেপিদোর দক্ষিণে বাগো অঞ্চলে সিত্তাং নদীর পূর্ব ও পশ্চিমে জান্তার অবস্থান লক্ষ্য করে সমন্বিত আক্রমণ পিডিএফ।

প্রতিবেদন মতে, প্রথম ধাপের নির্বাচনের দুদিন পর গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) স্থানীয় সময় সকালে নেপিদোর দক্ষিণে বাগো অঞ্চলে সিত্তাং নদীর পূর্ব ও পশ্চিমে জান্তার অবস্থান লক্ষ্য করে সমন্বিত আক্রমণ পিডিএফ সদস্যরা।

নির্বাচনের কয়েকদিন আগে রাজধানী নেপিদোর দক্ষিণে অবস্থিত একই এলাকায় আক্রমণ শুরু করে পিডিএফ। তারই ধারাবাহিকতায় এসব হামলা চালানো হয়।

প্রথম আক্রমণটি সকাল ৭:৩০ টার দিকে ঘটে। একটি ক্যাম্প লক্ষ্যবস্তু করা হয় যেখানে প্রায় ৪০ জন সরকারি সেনা ছিল। এর মধ্যে দুজন নিহত হয়। কিছু গোলাবারুদও জব্দ করা হয়।

একইদিন আরও দুটি স্থানে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলায় বেশ কয়েকজন সেনা প্রাণ হারায়। জব্দ করা হয় বিপুল পরিমাণ গোলাবারুদ। দিনভর দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয় বলে গণমাধ্যমে জানান বাসিন্দারা। ভয়ে অনেকে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান বলে জানা গেছে।

মিয়ানমারে গত রোববার (২৮ ডিসেম্বর) জাতীয় নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ করা হয়। ২০২১ সালে রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতন্ত্রপন্থি নেত্রী অং সান সু চি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতা দখল করে জান্তা সরকার। প্রায় চার বছর পর এই সরকারের নেতৃত্বে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

প্রথম ধাপের জাতীয় নির্বাচনে জয় দাবি করেছে জান্তাপন্থি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল ইউনিয়ন সলিডারিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি তথা ইউএসডিপি। এদিকে ফাঁকা ভোটকেন্দ্রে বন্দুকের ভয়ে নাগরিকরা ভোট দিয়েছেন বলে অভিযোগ মানবাধিকার সংস্থাগুলোর।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণতন্ত্রের জন্য নয় সামরিক শাসনের নতুন মুখ দেখতেই এই নির্বাচনী নাটক করছে জান্তা।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code