২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

পোস্টাল ভোট: মালয়েশিয়া প্রবাসীদের নিবন্ধনে সহায়তা করছে হাইকমিশন

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৯, ২০২৫, ১০:১৮ অপরাহ্ণ
পোস্টাল ভোট: মালয়েশিয়া প্রবাসীদের নিবন্ধনে সহায়তা করছে হাইকমিশন

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের ভোটাধিকার প্রয়োগ নিশ্চিত করতে মাঠে নেমেছে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।

হাইকমিশন জানিয়েছে, এই কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং মালয়েশিয়ার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল ও জনবহুল এলাকাগুলোতে পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন সহায়তা ক্যাম্প আয়োজন করা হবে।

মালয়েশিয়ায় কর্মরত ও বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা যাতে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার পোস্টাল ভোটের মাধ্যমে সহজে প্রয়োগ করতে পারেন সেই লক্ষ্যে ব্যাপক প্রচারণা ও সরাসরি নিবন্ধন সহায়তা কার্যক্রম শুরু করেছে হাইকমিশন।

আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশেষ কার্যক্রমের সূচনা করা হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে হাইকমিশন রাজধানী কুয়ালালামপুরের বাইরে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে থাকা প্রবাসীদের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছে।

Manual3 Ad Code

কুয়ালালামপুর হাইকমিশনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি দূতাবাসের একটি বিশেষ দায়িত্বশীল পদক্ষেপ। এর উদ্দেশ্য হলো যারা কাজের সূত্রে দেশে ফিরতে পারছেন না তাদেরও যেন নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ থাকে।

কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিনেই হাইকমিশনের উদ্যোগে একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নেয়া হয়।

Manual2 Ad Code

শনিবার মালয়েশিয়ার নিলাইয়ে অবস্থিত বিভিন্ন কোম্পানিতে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের মধ্যে পোস্টাল ভোট নিবন্ধনের প্রচারণা ও সহায়তা কার্যক্রম চালানো হয়।

প্রথম দিনেই প্রায় আড়াই হাজার বাংলাদেশি নাগরিক এই প্রচারণায় সাড়া দেন এবং নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় আগ্রহ দেখান।

হাইকমিশনের নিবেদিত কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন। তারা প্রবাসীদের পোস্টাল ভোটের পদ্ধতি, আবেদনের প্রক্রিয়া এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে ভোটার নিবন্ধনে সরাসরি সহায়তা করেন।

Manual3 Ad Code

এই পদক্ষেপটি প্রবাসীদের মাঝে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়ে নতুন করে সচেতনতা সৃষ্টি করেছে। হাইকমিশনের এই প্রচেষ্টা মালয়েশিয়া প্রবাসীদের জন্য একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী এবং প্রবাসীবান্ধব উদ্যোগ বলে মনে করছেন তারা।

হাইকমিশন জানিয়েছে, এই কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং মালয়েশিয়ার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চল ও জনবহুল এলাকাগুলোতে পর্যায়ক্রমে নিবন্ধন সহায়তা ক্যাম্প আয়োজন করা হবে।

Manual6 Ad Code

প্রবাসীরা যেন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পান তা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে কুয়ালালামপুরস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code