২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

যুদ্ধ বন্ধে প্রথম বৈঠকে বসতে যাচ্ছে রাশিয়া, ইউক্রেন ও মার্কিন কর্মকর্তারা

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৩, ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ণ
যুদ্ধ বন্ধে প্রথম বৈঠকে বসতে যাচ্ছে রাশিয়া, ইউক্রেন ও মার্কিন কর্মকর্তারা

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আবুধাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া, ইউক্রেন ও মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রথম ত্রিপাক্ষিক বৈঠক শুরু হতে যাচ্ছে।

শুক্রবার ও শনিবার দুই দিনব্যাপী আলোচনা হবে বলে জানান ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তবে যুদ্ধ বন্ধে আলোচনার মধ্যে অব্যাহত আছে রুশ-ইউক্রেন পাল্টাপাল্টি হামলা।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবারও (২২ জানুয়ারি) ইউক্রেনে ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে দিনিপ্রো ও ক্রিভি রিহ শহরে বেশ কয়েকজন হতাহত হন। ক্ষতিগ্রস্ত হয় কয়েকটি আবাসিক ভবনও। গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস হয় যাওয়ায় বিদ্যুৎহীন অবস্থায় হাজার হাজার মানুষ।

Manual5 Ad Code

শুধু কিয়েভেই তিন হাজার ভবনের বাসিন্দা শূন্য ডিগ্রি তাপমাত্রায় হিটিং ব্যবস্থা ছাড়াই দিন পার করছেন। বন্ধ হয়ে গেছে কিয়েভের কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এরমধ্যেই লভিভ অঞ্চলে মস্কোর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর গোপনে তথ্য সংগ্রহকারী দুই রুশ এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনী।

Manual4 Ad Code

এদিকে, গেল বৃহস্পতিবার রাশিয়ার একটি তেল টার্মিনালের পাশাপাশি ক্রিমিয়ার রাডার স্টেশনগুলোতে হামলা চালানোর কথা নিশ্চিত করেছে ইউক্রেন।

Manual3 Ad Code

কিয়েভের সামরিক বাহিনীর জেনারেল স্টাফ দাবি করেন, ওই হামলায় মস্কোর তেল ও অস্ত্র স্থাপনা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতি প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার হতে পারে বলে ধারণা দেশটির স্থানীয় প্রশাসনের।

অন্যদিকে ভূমধ্যসাগর থেকে রাশিয়ার একটি তেল ট্যাঙ্কার জব্দের দাবি করেছে ফরাসি নৌবাহিনী। এটি আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তেল পরিবহন করছিলো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযানটি একাধিক মিত্র দেশের সহায়তায় পরিচালিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। এমন পরিস্থিতিতে কিয়েভ-মস্কো যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় রাশিয়া, ইউক্রেন ও মার্কিন কর্মকর্তাদের প্রথম ত্রিপাক্ষিক বৈঠক শুরু হতে যাচ্ছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি জানান, আবুধাবিতে শুক্রবার ও শনিবার ওই বৈঠক হবে।

এর আগে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে নিরাপত্তা নিশ্চয়তার শর্তাবলী চূড়ান্ত এবং যুদ্ধ পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনর্গঠন চুক্তিও প্রায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছিলেন জেলেনস্কি।

Manual5 Ad Code

দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে অংশ নিতে আসা দেশ ও সংগঠনের মধ্যেও ইউক্রেনের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব লক্ষ্যণীয় ছিল। দেশটিকে সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখার বিষয়ে জোর দিয়েছেন ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটেসহ অন্যান্য ইউরোপীয় নেতারাও।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code