২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

ইরান নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ইসরাইলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৮, ২০২৫, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
ইরান নয়, আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ইসরাইলই বড় হুমকি : সৌদির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধান

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য ইরানের চেয়ে ইসরাইল বড় হুমকি বলে মন্তব্য করেছেন সৌদি আরবের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান প্রিন্স তুর্কি আল ফয়সাল।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে মিলকেন ইনস্টিটিউটের মিডল ইস্ট ও আফ্রিকা সামিটে এক সাক্ষাৎকারে প্রিন্স তুর্কি আল ফয়সালের কাছে জানতে চাওয়া হয় আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য কে বড় হুমকি? জবাবে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তের জন্য অবশ্যই ইসরাইল।’

Manual5 Ad Code

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় মার্কিন হামলার কথা উল্লেখ করে সাবেক এই গোয়েন্দাপ্রধান বলেন, ‘আমরা দেখেছি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র শক্ত ব্যবস্থা নিয়েছে।’
সরকারি পদ থেকে অবসর নিলেও প্রিন্স তুর্কি সৌদি বাদশাহ’র পরিবারে প্রভাবশালী সদস্য হওয়ায় রিয়াদে তার প্রভাব রয়েছে।

তিনি বলেন, ‘লেবাননে হিজবুল্লাহর ক্ষমতা কমে যাওয়া এবং সিরিয়ায় শাসন পরিবর্তনের ঘটনা ইরানের বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য প্রভাব খর্ব করেছে।’
প্রিন্স তুর্কি আল ফয়সাল বলেন, ‘ইসরাইল প্রায় প্রতিদিন সিরিয়ায় বিমান হামলা চালাচ্ছে, গাজা বা পশ্চিম তীর এবং লেবাননে–যেখানে যুদ্ধবিরতি আছে সেখানেও ফিলিস্তিনিদের ওপর বোমাবর্ষণ অব্যাহত রাখছে।’

Manual6 Ad Code

তিনি বলেন, ‘এই দৃশ্য আমাদের অঞ্চলের জন্য শান্তির লক্ষণ নয়। আমার মতে, ইসরাইল এই সমস্যার সৃষ্টি করছে এবং তাকে নিয়ন্ত্রণে আনা উচিত।’
ইসরাইল নিয়ে সৌদির সাবেক গোয়েন্দা প্রধানের এই মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে রিয়াদ এখনও তেল আবিবেরর সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার পথে নেই।

Manual2 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code