২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

আফগান সীমান্তে বোমা বিস্ফোরণে তিন পাক পুলিশ নিহত

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৬, ২০২৫, ০৩:১১ অপরাহ্ণ
আফগান সীমান্তে বোমা বিস্ফোরণে তিন পাক পুলিশ নিহত

Manual4 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual7 Ad Code

আফগান সীমান্তের কাছে রাস্তার পাশে পেতে রাখা বোমার বিস্ফোরণে তিন পাকিস্তানি পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। বিস্ফোরণে আরও দুই কর্মকর্তা আহত হয়েছেন। পাক কর্মকর্তাদের বরাতে এ খবর জানিয়েছে ডেইলি সাবাহ।
বুধবার (৩ ডিসেম্বর) পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়ার দেরা ইসমাইল খান জেলায় এই বিস্ফোরণ ঘটে।

পুলিশ কর্মকর্তা সাজ্জাদ খান জানিয়েছেন, আজ বুধবার (৩ ডিসেম্বর) পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়ার দেরা ইসমাইল খান জেলায় এই বিস্ফোরণ ঘটে। গত তিনদিনে এ ধরনের তৃতীয় ঘটনা এটি। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন ওই কর্মকর্তা।
একদিন আগেই অর্থাৎ গত মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বান্নুতে একজন সরকারি প্রশাসককে বহনকারী একটি গাড়িতে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাকে, তার দুই রক্ষী এবং একজন পথচারীকে হত্যা করে।

Manual1 Ad Code

তাৎক্ষণিকভাবে কোনো গোষ্ঠী আজকের এই হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভি এক বিবৃতিতে এই হামলার জন্য পাকিস্তানি তালেবানকে (টিটিপি) দায়ী করেছেন।
তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান বা টিটিপি নামে পরিচিত পাকিস্তানি তালেবান আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের থেকে আলাদা। কিন্তু টিটিপিকে তাদের মিত্র হিসেবে দেখে পাকিস্তান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই গোষ্ঠীটি পাক নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান তীব্র করেছে।

Manual4 Ad Code

পাকিস্তানে সহিংসতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়ায় আফগানিস্তানের সাথে দেশটির উত্তেজনাও তীব্র হয়েছে। ২০২১ সালে তালেবানরা ক্ষমতা দখলের পর থেকে ইসলামাবাদ টিটিপিকে আফগান ভূখণ্ডকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে ব্যবহার করার অভিযোগ করেছে, যা কাবুল অস্বীকার করেছে।
ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে গত ৯ অক্টোবর কাবুলে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। যে হামলার জন্য ইসলামাবাদকে অভিযুক্ত করে তালেবান-নেতৃত্বাধীন আফগান সরকার। এরপর প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটে। শুরু হয় সীমান্ত সংঘাত যাতে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়।

Manual4 Ad Code

প্রায় ১০ দিন পর গত ১৯ অক্টোবর কাতারের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। সেই যুদ্ধবিরতি এখনও বহাল রয়েছে, যদিও ইস্তাম্বুলে পাক ও আফগান প্রতিনিধিদলের মধ্যে সাম্প্রতিক একাধিক বৈঠক কোনো অগ্রগতি ছাড়াই শেষ হয়।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code