৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বেগম জিয়াকে স্মরণ

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৫, ২০২৫, ১১:২৮ পূর্বাহ্ণ
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে বেগম জিয়াকে স্মরণ

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু, স্টাফ রিপোর্টার

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়েছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে। স্থানীয় সময় বুধবার (৩ ডিসেম্বর) লন্ডনের হাউস অব লর্ডসে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ভূমিকা ও অবদান তুলে ধরা হয়।

তারেক রহমানের নীতি ও রাজনীতি: সমকালীন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এই সেমিনারে যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য, লর্ডস, আন্তর্জাতিক রাজনীতিবিদ, গবেষক, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন দেশের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন ভয়েস ফর বাংলাদেশ ইউকে।

Manual2 Ad Code

সেমিনারে বক্তারা বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় নির্বাচন, চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে আলোচনা করেন।

Manual6 Ad Code

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ভয়েস ফর বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং আই’অন টিভির সিইও আতাউল্যাহ ফারুক। সভাপতিত্ব করেন হাউস অব লর্ডসের সিনিয়র সদস্য লর্ড হোসাইন।

প্যানেল আলোচনায় ছিলেন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের দক্ষিণ এশিয়ার সাবেক প্রধান আব্বাস ফয়েজ, ব্রিটিশ এমপি অ্যালেক্স বারোস-কার্টিস এবং আন্তর্জাতিক আইনজীবী রায়ান উইলিয়ামস।

Manual3 Ad Code

বক্তব্য দেন সাবেক ব্রিটিশ এমপি সাইমন ডানজাক, এমপি পল ও’, এবং ব্রিটিশ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জুলিয়ান গ্যালান্ট। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রাজনীতিক মাহিদুর রহমান এবং অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সাইমুল মুজিব রহমান।

Manual8 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code