স্টাফ রিপোর্টার
অন্ধ্রপ্রদেশের ৩৮ বছর বয়সী এক নারী চিকিৎসক হায়দ্রাবাদে তার অ্যাপার্টমেন্টে আত্মহত্যা করেছেন। পু
লিশ জানিয়েছে, মার্কিন ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। মার্কিন ভিসা প্রত্যাখ্যানের পর অবসাদে ভুগছিলেন ওই নারী চিকিৎসক।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) সংবাদ সংস্থা পিটিআই এর বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস এ খবর জানিয়েছে। রোহিনী নামে ওই নারীর বাড়ি গুন্টুর জেলায় এবং তিনি পদ্মা রাও নগরে একা থাকতেন। বারবার ফোন করার পরেও সাড়া না পেয়ে ২২ নভেম্বর তার পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে। শনিবার সকালে রোহিণী দরজা না খোলায় প্রথমে তার গৃহকর্মী বিষয়টি নিশ্চিত হন।
পুলিশ জানায়, মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্টের মাধ্যমে জানা যাবে। এরপর তার মৃতদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা একটি সুইসাইড নোটে বলা হয়েছে, তিনি হতাশায় ভুগছিলেন এবং তার মার্কিন ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যানের কথা উল্লেখ করেছেন।
এদিকে, রোহিণীর মা লক্ষ্মী বলেছেন, তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং তার ভিসা অনুমোদনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। এই প্রত্যাখ্যান তাকে ক্রমশ বিষণ্ণ করে তুলেছিল।
তিনি আরও বলেন, রোহিণী ‘অভ্যন্তরীণ চিকিৎসায়’ বিশেষজ্ঞ হতে চেয়েছিলেন এবং কাছাকাছি লাইব্রেরি থাকার কারণে পদ্মা রাও নগরে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। ‘সে একজন মেধাবী ছাত্রী ছিল এবং ২০০৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে কিরগিজস্তানে এমবিবিএস সম্পন্ন করে। তার শিক্ষাগত রেকর্ড চমৎকার এবং তার ভবিষ্যতে অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন ছিল।’ লক্ষ্মী পিটিআইকে বলেন।
লক্ষ্মী বলেন, তিনি তার মেয়েকে ভারতে চিকিৎসা অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু রোহিণী বিশ্বাস করতেন যে যুক্তরাষ্ট্রে সুযোগ সুবিধা আরও বেশি। যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ আয় এবং প্রতিদিন কম রোগী।
রোহিণী অবিবাহিত ছিলেন এবং নিজেকে সম্পূর্ণরূপে তার ক্যারিয়ারের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন বলে জানা গেছে।
Sharing is caring!