৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মার্কিন ভিসা প্রত্যাখ্যানের পর নারী চিকিৎসকের আত্মহত্যার অভিযোগ

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ০২:৪৪ পূর্বাহ্ণ
মার্কিন ভিসা প্রত্যাখ্যানের পর নারী চিকিৎসকের আত্মহত্যার অভিযোগ

Manual8 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার

অন্ধ্রপ্রদেশের ৩৮ বছর বয়সী এক নারী চিকিৎসক হায়দ্রাবাদে তার অ্যাপার্টমেন্টে আত্মহত্যা করেছেন। পু

Manual6 Ad Code

লিশ জানিয়েছে, মার্কিন ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। মার্কিন ভিসা প্রত্যাখ্যানের পর অবসাদে ভুগছিলেন ওই নারী চিকিৎসক।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) সংবাদ সংস্থা পিটিআই এর বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস এ খবর জানিয়েছে। রোহিনী নামে ওই নারীর বাড়ি গুন্টুর জেলায় এবং তিনি পদ্মা রাও নগরে একা থাকতেন। বারবার ফোন করার পরেও সাড়া না পেয়ে ২২ নভেম্বর তার পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে। শনিবার সকালে রোহিণী দরজা না খোলায় প্রথমে তার গৃহকর্মী বিষয়টি নিশ্চিত হন।

পুলিশ জানায়, মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্টের মাধ্যমে জানা যাবে। এরপর তার মৃতদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তদন্তকারীদের মতে, ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা একটি সুইসাইড নোটে বলা হয়েছে, তিনি হতাশায় ভুগছিলেন এবং তার মার্কিন ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যানের কথা উল্লেখ করেছেন।

Manual8 Ad Code

এদিকে, রোহিণীর মা লক্ষ্মী বলেছেন, তার মেয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজের জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন এবং তার ভিসা অনুমোদনের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। এই প্রত্যাখ্যান তাকে ক্রমশ বিষণ্ণ করে তুলেছিল।

তিনি আরও বলেন, রোহিণী ‘অভ্যন্তরীণ চিকিৎসায়’ বিশেষজ্ঞ হতে চেয়েছিলেন এবং কাছাকাছি লাইব্রেরি থাকার কারণে পদ্মা রাও নগরে থাকার সিদ্ধান্ত নেন। ‘সে একজন মেধাবী ছাত্রী ছিল এবং ২০০৫ থেকে ২০১০ সালের মধ্যে কিরগিজস্তানে এমবিবিএস সম্পন্ন করে। তার শিক্ষাগত রেকর্ড চমৎকার এবং তার ভবিষ্যতে অনেক বড় হওয়ার স্বপ্ন ছিল।’ লক্ষ্মী পিটিআইকে বলেন।

Manual3 Ad Code

লক্ষ্মী বলেন, তিনি তার মেয়েকে ভারতে চিকিৎসা অনুশীলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন, কিন্তু রোহিণী বিশ্বাস করতেন যে যুক্তরাষ্ট্রে সুযোগ সুবিধা আরও বেশি। যার মধ্যে রয়েছে উচ্চ আয় এবং প্রতিদিন কম রোগী।

Manual1 Ad Code

রোহিণী অবিবাহিত ছিলেন এবং নিজেকে সম্পূর্ণরূপে তার ক্যারিয়ারের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন বলে জানা গেছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code