২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযানে শতাধিক বাংলাদেশিসহ আটক ১৮৪

admin
প্রকাশিত নভেম্বর ৬, ২০২৫, ০৩:০৬ অপরাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযানে শতাধিক বাংলাদেশিসহ আটক ১৮৪

Manual2 Ad Code

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসীবিরোধী অভিযানে শতাধিক বাংলাদেশিসহ আটক ১৮৪

Manual1 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মালয়েশিয়ার নেগেরি সেম্বিলান রাজ্যের নিলাই এলাকায় একটি ব্যাটারি কারখানায় অভিযান চালিয়ে ১২৩ জন বাংলাদেশিসহ মোট ১৮৪ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে নেগেরি ইমিগ্রেশন বিভাগ। নেগেরি সেম্বিলান ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক কেনিথ ট্যান আই কিয়াং এই অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বুধবার (৫ নভেম্বর) ভোরবেলা এই অভিযান শুরু হয়। অভিযানে নেগারি সেম্বিলান ইমিগ্রেশন, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ ও সেরেমবান সিটি কাউন্সিলের কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

Manual5 Ad Code

 

Manual5 Ad Code

টানা চার ঘণ্টার এই অভিযানে মোট ২১৯ জনকে তল্লাশি করা হয়। বৈধ কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হওয়ায় তাদের মধ্যে ১৮৪ জনকে আটক করা হয়। এর মধ্যে ১৬৩ জন পুরুষ এবং ২১ জন নারী।

 

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১২৩ জন বাংলাদেশি, ৫৮ জন মিয়ানমার, ২ জন পাকিস্তানি ও ১ জন ইন্দোনেশীয় নাগরিক। তবে কারও নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। শুধুমাত্র সবার বয়স ২০ থেকে ৪৯ বছরের মধ্যে বলে জানানো হয়েছে। সবাইকে দেশটির অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হয়েছেন।

পরিচালক কেনিথ ট্যান আই কিয়াং জানান, বৈধ পাস ও পরিচয়পত্র ছাড়া বিদেশি কর্মীরা কাজ করছে জনসাধারণের কাছ থেকে এমন অভিযোগের ভিত্তিতেই এই এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম চালানো হয়।

 

কেনিথ আরও জানান, অভিযানের সময় কিছু অবৈধ অভিবাসী নিজেদের আড়াল করার চেষ্টা করে। তারা পাওয়ার সাপ্লাই মেশিনের আড়ালে এবং কারখানার উৎপাদিত পণ্যের স্তূপের মধ্যে লুকিয়ে পড়ার চেষ্টা করলেও, অভিযানকারী দল সফলভাবে তাদের খুঁজে বের করে আটক করতে সক্ষম হয়।

Manual5 Ad Code

আটককৃত সকলকেই জিজ্ঞাসাবাদ এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার জন্য স্থানীয় লেংগেং ইমিগ্রেশন ডিপোতে রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে চিহ্নিত প্রধান অপরাধগুলোর মধ্যে রয়েছে: কোনো বৈধ পাস ও ভ্রমণ নথি না থাকা, অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করা এবং অভিবাসন আইন ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট আইন ১৯৬৬ এবং অভিবাসন নিয়মাবলি ১৯৬৩-এর অধীনে অন্যান্য লঙ্ঘন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code