৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

জেদ্দায় চট্টগ্রাম সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

admin
প্রকাশিত মার্চ ১৫, ২০২৫, ১০:৫২ অপরাহ্ণ
জেদ্দায় চট্টগ্রাম সমিতির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

Manual3 Ad Code

সৌদিআরব প্রতিনিধি : পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে চট্টগ্রাম সমিতি জেদ্দা এর উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বন্দর নগরী জেদ্দার আল নাগবা হোটেলে এই দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

Manual3 Ad Code

সংগঠনের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মঈন চৌধুরী ও সাংগঠনিক সম্পাদক আতাউর রহমান এর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেদ্দাস্থ বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কনস্যুলেটের কাউন্সিল এস এম সায়েম।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কুরআন তেলওয়াত ও দেশ-জাতি ও মুসলিম উম্মার শান্তি ও কল্যাণ কামনায় দোয়া করেন করেন মাওলানা আছাব উদ্দিন, এর পর আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে কোরআন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও কোরআন শরীফ হাতে তুলে দেন আগত অতিথিররা।

Manual4 Ad Code

সভায় বক্তব্য রাখেন, প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ আয়ুব, উপদেষ্টা কামাল উদ্দীন, উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার লিয়াখত আলী, উপদেষ্টা ইলিয়াছ, মার্শাল কবির পান্নু, উপদেষ্টা জহিরুল ইসলাম হিরো, অনুষ্ঠান বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক ও সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক ইনভেস্টর নাঈম উদ্দিন, যুগ্ন সম্পাদক ও সদস্য সচিব মোহাম্মদ ইদ্রিস, মামুন তাজ ও মিডিয়া সম্পাদক মোহাম্মদ ফিরোজ সহ প্রমুখ।

অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, জাহেদ ইসলাম, ইনভেস্টর মোহাম্মদ ইকবাল, ইনভেস্টর আব্দুল কাদের, হাসান মুরাদ, মোহাম্মদ শাহেদ আলম, মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ আলমগীর, বেলায়েত হোসেন, রফিকুল হক চৌধুরীরী, মাহাবুবুল আলম সুমন, ফয়েস আহমেদ, শেখ ইসমাইল, মনির আহমেদ, ওয়াহিদুন্নবী, মামুনুল হক গোল্ডেন, নুরুল আলম মুরাদ, আবু তাহের, কমর উদ্দীন, জামাল উদ্দিন, সীহাব উদ্দীন, কামাল উদ্দীন সহ আরও অনেকেই।

এতে হাজারেরও বেশি প্রবাসী বাংলাদেশী কমিউনিটি, সাংবাদিক, রাজনৈতিক দল, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Manual3 Ad Code

কাউন্সিলর এস এম সায়েম বলেন, পরিশ্রমের দিক থেকে সৌদিআরবের সুনাম কুড়িয়েছে বাংলাদেশিরা, তবে কিছু দালালের কারণে মর্যাদা ক্ষুন্ন হচ্ছে। এইছাড়াও প্রবাসীদের সৌদিআরবের আইন শৃঙ্খলার মেনে চলার জন্য পরামর্শ দেন তিনি।

Manual1 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code