৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১৬ই শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

গাজায় ফের হামলার হুমকি

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৫, ০৯:২৯ অপরাহ্ণ
গাজায় ফের হামলার হুমকি

Manual6 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক,

Manual8 Ad Code

ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে—এই অভিযোগ এনে গাজায় জিম্মিদের মুক্তি ‘অনির্দিষ্টকালের’ জন্য স্থগিত করে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এই অভিযোগের পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু পুনরায় গাজায় যুদ্ধ শুরুর হুমকি দিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের গণমাধ্যম আল মনিটরের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

নেতানিয়াহুর ঘোষণার আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হামাসকে হুমকি দিয়ে বলেন, আগামী শনিবারের মধ্যে সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে। তা না হলে গাজায় নরক ভেঙে পড়বে, আর তার দায় নিতে হবে হামাসকে। জিম্মিদের মুক্তি না দিলে এরপর ইসরায়েল যা চায়, করতে পারে।

Manual6 Ad Code

নেতানিয়াহুর কার্যালয় এক বিবৃতিতে জানায়, নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার সদস্যরা সর্বসম্মতিক্রমে ট্রাম্পের এই দাবি এবং গাজার ভবিষ্যৎ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।

Manual4 Ad Code

নেতানিয়াহু গতকাল মঙ্গলবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে বলেন, ‘যদি শনিবার দুপুরের মধ্যে হামাস আমাদের বন্দীদের ফিরিয়ে না দেয়, তাহলে যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে যাবে এবং আমরা পূর্ণমাত্রায় লড়াইয়ে ফিরে যাব।’

নেতানিয়াহু বলেন, ‘হামাস চুক্তি প্রত্যাহার করে আমাদের জিম্মিদের মুক্তি দিতে অস্বীকার করার পর, আমি গত রাতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে গাজার ভেতরে এবং আশপাশে অবস্থান নিতে নির্দেশ দিয়েছি। এই অভিযান এখন চলছে এবং শিগগিরই এটি সম্পন্ন হবে।’

তবে নেতানিয়াহু ট্রাম্পের দাবিকৃত অবশিষ্ট ৭৬ জিম্মির মুক্তির কথা বলেছেন, নাকি কেবল সেই তিনজনের, যাদের এই শনিবার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল, তা স্পষ্ট নয়।

Manual8 Ad Code

একটি ইসরায়েলি কূটনৈতিক সূত্র চ্যানেল ১২-কে জানিয়েছে, সরকার আশা করছে প্রথম পর্যায়ের চুক্তির আওতায় অন্তর্ভুক্ত বাকি ১৭ জন অপহৃত ব্যক্তিকে কয়েক দিনের মধ্যেই মুক্তি দেওয়া হবে, অন্যথায় ইসরায়েল চুক্তির দ্বিতীয় ধাপে আলোচনায় এগোবে না। ধারণা করা হচ্ছে, এই ১৭ জনের মধ্যে আটজন ইতিমধ্যেই মারা গেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র, মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, পরবর্তী ধাপে অবশিষ্ট বন্দীদের মুক্তি, শত শত ফিলিস্তিনি বন্দীর মুক্তি এবং গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

গত ১৯ জানুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতিতে এখন পর্যন্ত ২১ জন জিম্মিকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। অন্যদিকে মুক্তি পেয়েছেন ৫৬৬ জন ফিলিস্তিনি।

Sharing is caring!

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code