৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

কলকাতায় সরকারের আবাস যোজনার ঘর ও স্কুলের মিড ডে মিল্ক দেখতে অভিযান বাঁকুড়ার ডি এমের

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৫, ২০২৫, ০৮:০৫ অপরাহ্ণ
কলকাতায় সরকারের আবাস যোজনার ঘর ও স্কুলের মিড ডে মিল্ক দেখতে অভিযান বাঁকুড়ার ডি এমের

Manual7 Ad Code

কলকাতা থেকে নিউজ দাতা মনোয়ার ইমামঃ সম্প্রতি পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া গরীব মানুষের আবাস যোজনার ঘর প্রকৃত প্রাপকদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে কি না। এবং এই আবাস যোজনার ঘর এর টাকা থেকে কোন অসাধু কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক দলের নেতা কাট মানি খাচ্ছে কি না তা সরজমিনে দেখতে পৌঁছে গেল বাঁকুড়া জেলার ডি এম সৈয়দ সিয়াদ জিন।

Manual3 Ad Code

 

তিনি পশ্চিম বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ কে মান্যতা দিয়ে প্রকৃত অর্থে যারা ঘরের টাকা পেয়েছে তাদের ঘর তৈরি হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখতে বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। ঘরের টাকা যথাযথ ভাবে খরচ করতে পারছে কি না তা সুনিশ্চিত করতে গ্রাম পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় চলে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে পশ্চিম বাংলা সরকারের পক্ষ থেকে ইস্কুলের মিড ডে মিল ঠিক মতো পাচ্ছে,কি না তা সুনিশ্চিত করতে জেলার বিভিন্ন ইস্কুলের মিড ডে মিল পরিক্ষা করছে।

Manual7 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

বাঁকুড়া জেলার ডি এম সৈয়দ জিয়ান বলেন, ঘরের টাকা খরচ করে গরীব মানুষের জন্য ঘর তৈরি করা হচ্ছে। সেই টাকা থেকে কাট মানি খেতে চায় কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক দলের নেতারা। এই ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে সবাই কে। কারণ সরকারের দেওয়া টাকা খরচ করতে হবে আবাস যোজনার ঘর তৈরি করতে। সেই ঘর ঠিক মতো হচ্ছে কি না তা সরজমিনে দেখতে পৌঁছে যাচ্ছে বাঁকুড়া জেলার বিভিন্ন স্থানে। এবং ইস্কুলের মিড ডে মিল গরীব ঘরের শিশুরা ঠিক মতো পাচ্ছে কি না তা সরজমিনে দেখতে গিয়েছিলেন। কোথাও কোন অভিযোগ পেলে তা সুনিশ্চিত করতে তিনি টিম গঠন করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।।

Manual7 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code