৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

যুদ্ধবিরতির পর এবার পশ্চিম তীরের জেনিনে গাজার মতো গণহত্যার আশঙ্কা

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২৪, ২০২৫, ১২:১৯ অপরাহ্ণ
যুদ্ধবিরতির পর এবার পশ্চিম তীরের জেনিনে গাজার মতো গণহত্যার আশঙ্কা

Manual8 Ad Code

গাজায় গত রোববার থেকে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পর, ইসরাইলের মনোযোগ অবরুদ্ধ পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর দিকে সরে যাচ্ছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন দেশটির শিন বেট নিরাপত্তা বাহিনীর প্রধান রোনেন বার।

ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায়।

 

 

 

Manual1 Ad Code

 

রোনেন বার বলেন, ইসরাইল একটি বহুমুখী অভিযানের মধ্যে ছিল। কিন্তু এখন সামেরিয়ার (উত্তর পশ্চিম তীর) সময়।

 

 

Manual3 Ad Code

মঙ্গলবার থেকে পশ্চিম তীরের জেনিনে ‘আয়রন ওয়াল’ নামে পরিচিত সামরিক অভিযানটি শুরু হয় একাধিক বিমান হামলা এবং শরণার্থী শিবিরে সেনা মোতায়েনের মাধ্যমে। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মতে, ড্রোন, হেলিকপ্টার ও বুলডোজারের সহায়তায় বাহিনী শহরে প্রবেশের পর থেকে কমপক্ষে ১০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। আহত হন ৩৫ জনেরও বেশি।

 

ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল হার্জি হালেভি অব্যাহত সামরিক চাপের মাধ্যমে জেনিনকে ’একটি ভিন্ন জায়গায়’ নিয়ে আসার কথা বলেন।

 

Manual7 Ad Code

বর্তমানে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জেনিনের প্রধান হাসপাতালের প্রবেশপথ নিয়ন্ত্রণ করছে এবং জেনিনের শরণার্থী শিবিরে প্রবেশের পথ বন্ধ করে দিয়েছে।

 

 

Manual6 Ad Code

বৃহস্পতিবার ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়া অনেকেই জানান, ড্রোন বা ট্রাক থেকে ঘোষণার মাধ্যমে অথবা লিফলেটের মাধ্যমে তারা সেনাবাহিনীর কাছ থেকে চলে যাওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন।

 

 

কিন্তু ইসরাইলের সরকারের মুখপাত্র ডেভিড মেনসার এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, জেনিনের জনগণকে ’স্থানান্তরের কোনো নির্দেশ’ দেয়া হয়নি।

 

 

 

তিনি বলেন, ’জেনিনের যারা সন্ত্রাসবাদের সাথে জড়িত নয় তারা আমাদের অভিযান থেকে দূরে সরে যেতে পারেন।’

 

 

ইসরাইল জানায়, তাদের লক্ষ্য হামাস ও অন্যান্য প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোকে ধ্বংস করা।

 

 

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এই অভিযানের জন্য ’কৌশল পরিবর্তনের’ কথা বলে জানান, গাজা থেকে পাওয়া শিক্ষা দিয়ে কেবল ’সন্ত্রাসীদের নির্মূল করা’ নয়, বরং তাদের ফিরে আসা বন্ধ করতে চায় ইসরাইল।
সূত্র : বিবিসি

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code