২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মাদুরোর মুক্তির দাবিতে উত্তাল ভেনেজুয়েলা

editor
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ১১:০২ অপরাহ্ণ
মাদুরোর মুক্তির দাবিতে উত্তাল ভেনেজুয়েলা

Manual5 Ad Code

মাদুরোর মুক্তির দাবিতে উত্তাল ভেনেজুয়েলা

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টারঃ ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর মুক্তির দাবিতে আবারও উত্তাল কারাকাস। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) রাজপথে সমাবেশ করেন মাদুরোর সমর্থকরা।

Manual2 Ad Code

অবৈধভাবে ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযানের এক মাস পেরিয়ে গেছে। প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীর মুক্তির ব্যাপারে আশার আলো দেখছেন না সমর্থকরা। তবুও তাদের মুক্তির দাবিতে মঙ্গলবার কারাকাসের রাস্তায় নামেন অনেকে।

Manual7 Ad Code

সমাবেশে ইউনাইটেড সোশ্যালিস্ট পার্টি- পিএসইউভির নেতা-কর্মী ও বলিভারিয়ান মিলিশিয়ার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। মিছিলে মাদুরোকে সুপারহিরো চরিত্র ‘সুপার বিগোটে’ রূপে দেখানো প্রতীক, খেলনা ও পোস্টার ছিল চোখে পড়ার মতো।এসময়, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন মাদুরোর ছেলে। একইদিন মিরাফ্লোরেস প্রাসাদে বক্তব্য দেন অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট দেলসি রদ্রিগেজ। তিনি জানান, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে তার ফোনালাপ ইতিবাচক হয়েছে।

রদ্রিগেজ বলেন, মতপার্থক্য থাকলেও পারস্পরিক সম্মান ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে কাজের এজেন্ডা গড়া সম্ভব। তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় পরিষদের সভাপতি হোর্হে রদ্রিগেজ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলার মধ্যে ঐতিহাসিক কূটনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে।

Manual1 Ad Code

এদিকে, কারাকাস ও ওয়াশিংটনের মধ্যে হওয়া এক চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলাকে প্রথম ধাপে তেল বিক্রির অর্থ হিসেবে ৫০ কোটি ডলার ফেরত দেয়। গত মাসে দুই দেশের মধ্যে এই তেল চুক্তি স্বাক্ষর হয়। এছাড়াও, মার্কিন তরলীকরণ পদার্থ ভেনেজুয়েলায় রফতানি বিষয়েও একট প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। যেটি কার্যকর হলে ভেনেজুয়েলার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিল হবে।এতে অপরিশোধিত তেলকে রফতানিযোগ্য করার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ ওয়াশিংটনের কাছ থেকে কিনতে পারবে কারাকাস।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code