২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইয়েমেনে আমিরাতের গোপন কারাগারের সন্ধান!

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ২১, ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ণ
ইয়েমেনে আমিরাতের গোপন কারাগারের সন্ধান!

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

সংযুক্ত আরব আমিরাত ইয়েমেনের বন্দরনগরী
মুকাল্লার কাছে একটি গোপন কারাগার পরিচালনা করছে বলে অভিযোগ তুলেছে দেশটির এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।গত ৩ জানুয়ারি ইয়েমেনের সরকারপন্থি বাহিনী হাদরামাউতের মুকাল্লা শহরে সংযুক্ত আরব আমিরাত-সমর্থিত এসটিসি’র বেশ কয়েকটি সামরিক স্থাপনার নিয়ন্ত্রণ নেয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ ইয়েমেনের মুখাল্লা শহরের কাছে আল-রাইয়ান বিমানঘাঁটিতে সংযুক্ত আরব আমিরাত গোপন কারাগার চালাচ্ছে, এমন অভিযোগ তুলেছে সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেন সরকার। হাদরামাউতের গভর্নর সালেম আল-খানবাশি সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন, সেখানে মিলেছে বিস্ফোরক ও বুবি ট্র্যাপ।

গভর্নর বলেন, এই তৎপরতা ইয়েমেনে বৈধ সরকারকে সহায়তার লক্ষ্য বা জোটের ঘোষিত উদ্দেশ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তিনি জানান, আমিরাত বাহিনী পরিচালিত বেশ কয়েকটি গোপন কারাগারের নির্যাতনের অভিযোগ নথিভুক্ত করা হচ্ছে, পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।তবে ইয়েমেনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে দেশটি জানিয়েছে, হাদরামাউতের গভর্নরের বক্তব্য ‘ইচ্ছাকৃতভাবে বানোয়াট এবং ভুল তথ্য ছাড়া আর কিছুই নয়’।

Manual4 Ad Code

আমিরাত আরও জানায়, যেসব স্থাপনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে সেগুলো মূলত সামরিক আবাসন, অপারেশন কক্ষ ও সুরক্ষিত আশ্রয়কেন্দ্র। এর মধ্যে কিছু স্থাপনা ভূগর্ভে অবস্থিত, যা বিশ্বজুড়ে বিমানবন্দর ও সামরিক স্থাপনাগুলোর একটি সাধারণ ও সুপরিচিত বৈশিষ্ট্য। এসব স্থাপনার বিষয়টি স্বাভাবিক সামরিক প্রেক্ষাপটের বাইরে কোনো ইঙ্গিত বহন করে না।

Manual6 Ad Code

এদিকে যুদ্ধ ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ইয়েমেনের মানবিক পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হচ্ছে। জাতিসংঘের অভিবাসন সংস্থা আইওএম জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহে নতুন করে বাস্তুচ্যুত হয়েছে ৩০০ এর বেশি মানুষ। আগের সপ্তাহের তুলনায় যা ৫০ শতাংশেরও বেশি।
আইওএম বলছে, সংঘাত, সহিংসতা ও জীবনযাত্রার অবনতির কারণে এই বাস্তুচ্যুতি ইয়েমেনের দুর্বল ত্রাণ ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করছে। মানবিক সংস্থাগুলো আশঙ্কা করছে, খাদ্য ও স্বাস্থ্যসেবার সংকট আরও তীব্র হবে।

Manual4 Ad Code

এরমধ্যেই রিয়াদে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রী আল-জিন্দানি। তিনি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, মানবিক সহায়তা ও নিরাপত্তা সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক সমর্থনের গুরুত্ব তুলে ধরেন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত আশ্বাস দেন, ইয়েমেনের বর্তমান সংকট মোকাবিলা ও শান্তি–স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় ওয়াশিংটন-সানা একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে।

Manual5 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code