৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

admin
প্রকাশিত জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ০৯:১৬ পূর্বাহ্ণ
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ

Manual2 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

মালয়েশিয়ার জোহর বাহরুতে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক বাংলাদেশি প্রবাসীর স্ত্রীকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ ও স্বর্ণালঙ্কার লুটপাটের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। কনস্ট্রাকশন সাইটে কর্মী নিয়োগের কমিশন দেয়ার কথা বলে তাকে কুয়ালালামপুর থেকে জোহর বাহরুতে নেয়া হয়।
চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ করা হয় বলে জানা গেছে।

Manual5 Ad Code

ভুক্তভোগী ও তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে এক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচয় হয় ওই নারীর। অভিযুক্ত ব্যক্তি নিজেকে কনস্ট্রাকশন কোম্পানির কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে ভুক্তভোগীকে জানান, তার স্বামী যেহেতু একই খাতে কাজ করেন, তাই তিনি কর্মী সংগ্রহ করে দিলে বড় অঙ্কের কমিশন পাবেন।

Manual5 Ad Code

বিশ্বাস অর্জনের জন্য ওই নারীকে ফ্যাক্টরি পরিদর্শনের আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং নিরাপত্তার পূর্ণ নিশ্চয়তা দেয়া হয়।
গত ৭ ডিসেম্বর অভিযুক্তের কথায় আশ্বস্ত হয়ে ভুক্তভোগীর স্বামী তাকে জোহর বাহরুগামী বাসে তুলে দেন। সেখানে পৌঁছালে অভিযুক্তরা তাকে একটি হোটেলে নিয়ে যায়।

Manual6 Ad Code

পরদিন গাড়ি নষ্ট হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে সময়ক্ষেপণ করা হয় এবং তাকে কুয়ালালামপুরে ফিরতে বাধা দেয়া হয়। একপর্যায়ে বাসের বদলে বিমানে টিকিট কেটে দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে আরও এক রাত হোটেলে থাকতে বাধ্য করা হয়।

ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার রাতে তিনি পানি পান করতে চাইলে অভিযুক্তদের একজন তাকে জুস খেতে দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, ওই জুসের সঙ্গে চেতনা নাশক ওষুধ মেশানো ছিল। জুস পানের পর তিনি অচেতন হলে চারজন ব্যক্তি তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।

Manual8 Ad Code

রাত আনুমানিক ৩টার দিকে জ্ঞান ফিরলে তিনি দ্রুত স্বামীকে বিষয়টি জানান। স্বামী তাৎক্ষণিক মালয়েশিয়ান জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান।

তবে পুলিশ আসার আগেই অভিযুক্তরা ওই নারীর হীরার নাকফুল, স্বর্ণের পায়েল ও ব্রেসলেট লুট করে পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় তারা ভুক্তভোগীকে হত্যার হুমকিও দেয় বলে জানা গেছে।

পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকলেও চরম নিরাপত্তাহীনতা ও মানসিক ট্রমার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।

ভুক্তভোগী নারী তার প্রতি হওয়া এই অন্যায়ের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করেছেন, যেন আর কোনো বোনকে এভাবে প্রতারিত ও লাঞ্ছিত হতে না হয়।

স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এবং প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত চারজনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালাচ্ছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code