৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলার নিন্দা পাকিস্তানের

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫, ০৮:১৩ অপরাহ্ণ
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের ওপর হামলার নিন্দা পাকিস্তানের

Manual3 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

সুদানের কাদুগলিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের ওপর সংঘটিত নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পাকিস্তান।

Manual6 Ad Code

পাকিস্তান সরকার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই হামলায় জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন নিরাপত্তা বাহিনী ফর অ্যাবিয়েই (ইউএনআইএসএফএ)-তে কর্মরত বাংলাদেশের ছয়জন শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন, যা অত্যন্ত মর্মান্তিক।

Manual6 Ad Code

বিবৃতিতে বলা হয়, নিহত শান্তিরক্ষীদের মৃত্যুতে পাকিস্তান বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে এবং এই শোকাবহ সময়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর পাশে সংহতি প্রকাশ করছে।

Manual4 Ad Code

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, আন্তর্জাতিক পরিসরে সংঘাত প্রতিরোধ, বেসামরিক জনগণকে সুরক্ষা এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীরা অগ্রভাগে থেকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। শান্তি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য কর্তব্যরত অবস্থায় ‘ব্লু হেলমেট’ শান্তিরক্ষীদের সর্বোচ্চ আত্মত্যাগের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

এই কাপুরুষোচিত হামলার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত তদন্ত ও দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছে পাকিস্তান।
পাশাপাশি, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে সব জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীর নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে দেশটি।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code