২০শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ৫ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

আন্তর্জাতিক অ্যাগ্রোফুড এক্সপো ২০২৫ সফলভাবে সম্পন্ন

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৬, ২০২৫, ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ণ
আন্তর্জাতিক অ্যাগ্রোফুড এক্সপো ২০২৫ সফলভাবে সম্পন্ন

Manual3 Ad Code

সৌদি আরব : সৌদি আরবের বাণিজ্য নগরী জেদ্দায় সফলভাবে শেষ হলো আন্তর্জাতিক অ্যাগ্রোফুড এক্সপো ২০২৫, ৩ থেকে ৫ ডিসেম্বর ২০২৫ অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী মেলায় বিশ্বের ১৬টি দেশ অংশগ্রহণ করে। এই প্রদর্শনীতে প্রথমবারের মতো অংশ নেয় বাংলাদেশ। মেলার উদ্বোধন করেন জেদ্দার গভর্নর প্রিন্স সউদ বিন আবদুল্লাহ বিন জলাওয়ি।

Manual2 Ad Code

এক্সপোতে বাংলাদেশের পাঁচটি প্রতিষ্ঠান ঘরের বাজার, গ্লোব সফট ড্রিংক্স লিমিটেড, আগ্রো ফ্রুটস অ্যান্ড ভেজিটেবলস লিমিটেড, ছোয়া ফ্রোজেন ফুডস লিমিটেড, গোল্ডেন প্লাস ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড। বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নে ফ্রোজেন ফুড, রেডি-টু-কুক মাছজাত পণ্য, সফট ড্রিংক্স, মসলা ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করা হয়, যা সৌদি ব্যবসায়ীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আগ্রহ সৃষ্টি করে।

Manual8 Ad Code

মেলার বিভিন্ন বি-টু-বি বৈঠকে সৌদি আমদানিকারকদের মধ্যে বিশেষ করে বাংলাদেশি ফ্রোজেন ফিশ, প্রসেসড ফুড এবং সফট ড্রিংক্স-এর প্রতি ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। এতে ভবিষ্যতে রপ্তানির নতুন বাজার সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Manual2 Ad Code

কনসাল জেনারেল জনাব মোঃ সাখাওয়াৎ হোসেন বলেন— “কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও প্রক্রিয়াজাত শিল্পে বাংলাদেশের সম্ভাবনা অপরিসীম। এই মেলার মাধ্যমে আমরা সেই সক্ষমতাকে বৈশ্বিক বাজারে তুলে ধরতে পেরেছি।” কমার্শিয়াল কাউন্সেলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবার সঞ্চালনায় জেদ্দা কন্স্যুলেট Bangladesh–Saudi Arabia Agrofood Partnership: Expanding Horizons for Trade and Investment শীর্ষক এক সেমিনার আয়োজন করে। সেমিনারে অংশ নেন সৌদি ব্যবসায়ী, প্রবাসী উদ্যোক্তা, পরিবেশক এবং বাংলাদেশি রপ্তানিকারকগণ।

আলোচকগণ বলেন, বাংলাদেশের খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্প আন্তর্জাতিক মানে দ্রুত উন্নত হচ্ছে এবং সৌদি বাজার সেই অগ্রযাত্রার জন্য উপযুক্ত অংশীদার হতে পারে।

Manual5 Ad Code

অ্যাগ্রোফুড এক্সপো ২০২৫-এ বাংলাদেশের এই সক্রিয় অংশগ্রহণ দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক সহযোগিতা এবং খাদ্যপণ্য রপ্তানির নতুন পথ খুলে দেবে। এই এক্সপো বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে কৃষিপণ্য বাণিজ্য উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code