৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়ায় বহিষ্কার, নতুন দল তৈরির ঘোষণা হুমায়ূনের

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৫, ২০২৫, ১১:২৪ পূর্বাহ্ণ
বাবরি মসজিদ বানাতে চাওয়ায় বহিষ্কার, নতুন দল তৈরির ঘোষণা হুমায়ূনের

Manual7 Ad Code

স্বপ্না শিমু, স্টাফ রিপোর্টার

Manual6 Ad Code

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদের ভরতপুরে উত্তরপ্রদেশে ধ্বংস হওয়া বাবরি মসজিদের আদলে একটি মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগই শেষ পর্যন্ত বিপদ ডেকে আনলো স্থানীয় তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ূন কবীরের জন্য। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে বহিষ্কার করেছে তৃণমূল কংগ্রেস।

বহিষ্কারের খবরে আগামী ২২ ডিসেম্বর নতুন রাজনৈতিক দল গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের ভরতপুরে বাবরি মসজিদের আদলে নতুন মসজিদ নির্মাণের ঘোষণা দেন তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ূন কবীর। তার এই ঘোষণা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র প্রতিক্রিয়া।

এরপরেই তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা ও কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম সাংবাদিকদের বলেন, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং উত্তেজনাপূর্ণ মন্তব্য করায় হুমায়ূন কবীরকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

Manual6 Ad Code

তৃণমূলের দাবি, বাবরি মসজিদের আদলে নতুন মসজিদ নির্মাণের এই উদ্যোগ বিজেপির মেরুকরণ রাজনীতিকে সাহায্য করতে পারে। বহিষ্কার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘বহিষ্কারের জবাব টিএমসি (তৃণমূল কংগ্রেস) ও বিজেপিও পাবে।

Manual1 Ad Code

এই দুই দলের মধ্যে কি বোঝাপড়া হয়েছে আগামী ২২ তারিখে আমি প্রমাণ করে দেব।’ অন্যদিকে বিজেপি এই ঘটনাকে তৃণমূলের ‘দ্বিমুখী রাজনীতি’ বলে কটাক্ষ করেছে।

Manual8 Ad Code

বিজেপির রাজ্য সভাপতিহ সমীক ভট্টচার্য বলেন, এই ৬ ডিসেম্বর ৩৩ বছর ধরে পালন করবার কারণেই এখন হুমায়ূন কবীর এই কথা বলতে সাহস করতে পেরেছে। আগেও নানা বিতর্কে জড়িয়েছিলেন ভরতপুরের এই বিধায়ক।

একাধিকবার সাসপেন্ড হলেও প্রতিবারই দলে ফিরে এসেছেন। তবে এবার দল ছাড়ার পাশাপাশি নতুন দল গড়ে সরাসরি তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। হুমায়ূন ১৩৫টি আসনে প্রার্থী দেবেন বলেও জানিয়েছেন।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code