৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশন পুলিশের অভিযানে ৮ বাংলাদেশিসহ আটক ১৭

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৪, ২০২৫, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ণ
মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশন পুলিশের অভিযানে ৮ বাংলাদেশিসহ আটক ১৭

Manual1 Ad Code

স্টাফ রিপোর্টার

Manual2 Ad Code

মালয়েশিয়ায় পতিতাবৃত্তির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮ জন বাংলাদেশি পুরুষসহ মোট ১৭ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। সোমবার (১ ডিসেম্বর) রাতে সেলাঙ্গর রাজ্যের ক্লাং সেন্ট্রালের একটি তিনতলা ভবনে বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ৯ জন ভিয়েতনামের নারী রয়েছেন।

ইমিগ্রেশন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইমিগ্রেশন সদর দফতরের এনফোর্সমেন্ট ডিভিশনের সদস্যরা এই অভিযান পরিচালনা করেন।

প্রাথমিকভাবে মোট ২১ জনের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে ১৭ জন বিদেশিকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে ২১ থেকে ৩২ বছর বয়সি ৮ জন বাংলাদেশি পুরুষ এবং ৯ জন ভিয়েতনামের নারী রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে মূলত অনুমোদিত সময়ের বেশি অবস্থান করা এবং বৈধ ভ্রমণ নথি না থাকাসহ ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।

Manual6 Ad Code

আটকদের বিরুদ্ধে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের ধারা ৬(১)(সি) এবং ১৫(১)(সি) এবং ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন রেগুলেশনের পার. ৩৯(বি)-এর অধীনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, এই তিনতলা ভবনটি একটি সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা এবং আমদানি-রফতানি সংস্থার আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে পতিতালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। এই অনৈতিক কার্যকলাপ একজন বাংলাদেশি পরিচালনা করতেন, যিনি তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে কাজ করতেন। তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল কাছাকাছি এলাকার বিদেশিরা।

Manual8 Ad Code

আটক এক বিদেশি প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন যে তিনি প্রতিটি যৌন পরিষেবার জন্য বাংলাদেশি তত্ত্বাবধায়ককে ৫০ রিঙ্গিত থেকে ৮০ রিঙ্গিত পর্যন্ত অর্থ দিতেন।

ইমিগ্রেশন বিভাগের প্রাথমিক তদন্তে আরও জানা গেছে, এই অনৈতিক কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য একজন স্থানীয় ব্যক্তি ওই বাংলাদেশিকে নিয়োগ করেছিলেন।

আটক সব বিদেশি নাগরিককে ১৯৫৯/৬৩ সালের ইমিগ্রেশন আইনের ধারা ৫১(৫)(বি)-এর অধীনে পুত্রজায়া ইমিগ্রেশন ডিটেনশন ডিপোতে রাখা হয়েছে। পরবর্তী তদন্ত ও আইনানুগ পদক্ষেপের জন্য তাদের সেখানেই রাখা হবে।

Manual6 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code