৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ২২শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ইউরোপ যুদ্ধ চাইলে রাশিয়া ‘প্রস্তুত’, কড়া হুঁশিয়ারি পুতিনের।

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ৩, ২০২৫, ০৫:২০ অপরাহ্ণ
ইউরোপ যুদ্ধ চাইলে রাশিয়া ‘প্রস্তুত’, কড়া হুঁশিয়ারি পুতিনের।

Manual8 Ad Code

ইউরোপ যুদ্ধ চাইলে রাশিয়া ‘প্রস্তুত’, কড়া হুঁশিয়ারি পুতিনের

Manual6 Ad Code

৩ ডিসেম্বর ২০২৫
স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউরোপ যদি যুদ্ধ চায়, রাশিয়া তার জন্য এখনই ‘প্রস্তুত’। একইসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, ইউরোপীয় নেতারা অগ্রহণযোগ্য প্রস্তাব যোগ করে ইউক্রেন সংঘাত সমাধানের চেষ্টাকে নস্যাৎ করছে।
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ক্রেমলিনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনার।

স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) ক্রেমলিনে ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে এক বৈঠকের আগে পুতিন এসব কথা বলেন।

প্রায় চার বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে সম্প্রতি কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। গত রোববার (৩০ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের বিপরীতে ছিলেন ইউক্রেনের জাতীয় নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা কাউন্সিলের প্রধান রুস্তেম উমেরোভের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল।

তারই ধারাবাহিকতায় মস্কোতে পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসেন মার্কিন প্রতিনিধিদল। বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধ চাই না, কিন্তু যদি ইউরোপ শুরু করতে চায়, তবে আমরা এখনই প্রস্তুত।’

Manual6 Ad Code

তিনি আরও বলেন, ‘তাদের (ইউরোপীয় নেতাদের) কোনো শান্তিপূর্ণ এজেন্ডা নেই, তারা যুদ্ধের পক্ষেই রয়েছে।’ পুতিন দাবি করেন, ইউরোপীয় নেতারা যুক্তরাষ্ট্রের ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

Manual4 Ad Code

প্রেসিডেন্ট পুতিন আরও বলেন, ‘যুদ্ধের অবসানে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক পরিকল্পনায় ইউরোপের নুন প্রস্তাব শুধুমাত্র একটি উদ্দেশ্যেই—পুরো শান্তি প্রক্রিয়াটিকে সম্পূর্ণভাবে বাধাগ্রস্ত করা এবং তারা এমন সব প্রস্তাব আনছে, যেগুলো রাশিয়া মেনে নেবে না বলে তারাও জানে।

Manual5 Ad Code

এদিকে ক্রেমলিনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং জামাতা জ্যারেড কুশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই বৈঠবে লক্ষ্য দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সংঘাতের অবসান ঘটানো।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স বলছে, ক্রেমলিনে বৈঠকটির স্থায়ীত্ব ছিল চার ঘণ্টারও বেশি। বৈঠকের শুরুতেই উইটকফ ও কুশনারকে পুতিন বলেন, ‘আপনাদের পেয়ে আমি খুবই খুশি।’ জবাবে উইটকফ বলেন, ‘এটি (মস্কো) একটি চমৎকার শহর।’ পরে দুজনের সঙ্গে বৈঠক করেন পুতিন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রুশ প্রেসিডেন্টের দুই সহযোগী—কিরিল দিমিত্রিয়েভ ও ইউরি উশাকভ।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code