৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৯শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

মরুভ্রমণে দম্পতির লাশ মিলল তাঁবুতে

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৫, ১০:৪৮ অপরাহ্ণ
মরুভ্রমণে দম্পতির লাশ মিলল তাঁবুতে

Manual4 Ad Code

অনলাইন ডেস্ক, সৌদি আরবের আল-জওফ প্রদেশের কুরাইয়াত শহরের একটি মরুভূমিতে তাঁবুর ভেতর এক দম্পতির লাশ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, শীত নিবারণের জন্য তাঁরা তাঁবুর ভেতর কয়লা জ্বালিয়েছিলেন। এর থেকে নির্গত কার্বন মনোক্সাইডের বিষক্রিয়ায় তাঁদের মৃত্যু হয়।

Manual8 Ad Code

সৌদি সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, নিহত দুজন হলেন কাবলেন আল-শারারি ও তাঁর স্ত্রী। রাজধানী রিয়াদ থেকে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার দূরে সাকাকার পূর্বাঞ্চলে একটি মরুভূমিতে তাঁরা তাঁবু খাটান। মূলত, মরুভূমিতে ট্রাফল সংগ্রহ ও রাত্রিযাপন করতে গিয়েছিলেন তাঁরা।

Manual7 Ad Code

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় তাঁদের কোনো খোঁজ না পেয়ে স্বজনেরা উদ্ধারের জন্য আবেদন করেন। পরে একটি উদ্ধারকারী দল অনেক খোঁজাখুঁজি করে সাকাকার মরুভূমিতে একটি তাঁবুর ভেতর থেকে তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে।

Manual8 Ad Code

সৌদি নাগরিক সুরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, তাঁবুর ভেতরে কয়লা জ্বালানোর কারণে বাতাসে বিপজ্জনক পরিমাণে কার্বন মনোক্সাইড জমে গিয়েছিল। এটি একটি নীরব ঘাতক, যা গন্ধ ও বর্ণহীন হওয়ায় আক্রান্তরা বিষক্রিয়ার শিকার হলে তা বুঝতে পারেন না।

এ ঘটনার পর দেশটির সিভিল ডিফেন্স বিভাগ নাগরিকদের প্রতি সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, কয়লা বা কাঠ জ্বালিয়ে উষ্ণতা পাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। বিশেষ করে, ঘরের ভেতরে বা তাঁবুর মতো বদ্ধ স্থানে তা জ্বালানো উচিত নয়।

সিভিল ডিফেন্স আরও বলেছে, শীতের সময় গরম করার আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করা নিরাপদ। এসব যন্ত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়, ফলে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি কম থাকে।

Manual4 Ad Code

নিহতদের জানাজা আল-কুরাইয়াত শহরের কিং ফাহাদ মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী সংস্থা নোখবাত আল-শামাল অ্যাসোসিয়েশন। সংস্থাটি নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে।

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code