২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ, ১৩ই সফর, ১৪৪৮ হিজরি

ভেনেজুয়েলার মাদুরো সরকারকে ‘অবৈধ’ বললেন শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক

admin
প্রকাশিত ডিসেম্বর ২০, ২০২৫, ১২:০১ অপরাহ্ণ
ভেনেজুয়েলার মাদুরো সরকারকে ‘অবৈধ’ বললেন শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক

Manual1 Ad Code

স্বপ্না শিমু স্টাফ রিপোর্টার

Manual1 Ad Code

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ‘অবৈধ’ বলে অভিহিত করেছেন। জানিয়েছেন, তার (মাদুরোর) সাথে যেকোনো কূটনৈতিক আলাপ নিরর্থক হবে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) চলতি বছরের সবশেষ সংবাদ সম্মেলন করেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও। দুই ঘন্টার ব্রিফিংয়ে ওয়াশিংটনের পররাষ্ট্র নীতি নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেন তিনি। এতে অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে গাজায় যুদ্ধবিরতি, ইউক্রেন যুদ্ধ ও ভেনেজুয়েলা ইস্যু উঠে আসে।

মাদুরো প্রসঙ্গে রুবিও বলেন, ভেনেজুয়েলার সাথে কূটনৈতিক আলোচনা ‘অনর্থক’ হবে। কারণ ল্যাটিন আমেরিকার দেশটির প্রেসিডেন্ট তার প্রতিশ্রুতি পূরণের জন্য ‘বিশ্বাসযোগ্য নয়’। তার কথায়, ‘তিনি অতীতে হওয়া কোনো চুক্তিই কখনও মানেননি, যার ফলে তার সঙ্গে ভবিষ্যতে কোনো চুক্তি করার কথা বিবেচনা করাও কঠিন হবে।’

Manual7 Ad Code

ভেনেজুয়েলা ইস্যুতে অবস্থান আরও কঠোর করেছেন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। যুদ্ধের সম্ভাবনা উড়িয়ে না দিয়ে নতুন নিষেধাজ্ঞা ও তেল ট্যাংকার জব্দের মাধ্যমে চাপ বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। চাপ জোরদারে নিকোলাস মাদুরো, তার স্ত্রী ও ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

Manual5 Ad Code

শুক্রবার এনবিসি নিউজকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, দেশটির সঙ্গে সংঘাতের পথ ‘টেবিলের বাইরে নয়’। একই সঙ্গে তিনি জানান, ভেনেজুয়েলার জলসীমার কাছাকাছি আরও তেলবাহী ট্যাংকার জব্দ করা হতে পারে।

এর আগে ভেনেজুয়েলার উপকূলের কাছে একটি নিষেধাজ্ঞাভুক্ত তেল ট্যাংকার জব্দ করে যুক্তরাষ্ট্র। এ ধরনের কার্যক্রমের মাধ্যমে মাদুরো সরকারের ওপর অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক চাপ আরও বাড়াচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। উত্তেজনার মধ্যেই পুয়ের্তো রিকোর পন্সে ও আগুয়াদিল্লা বিমানবন্দরে প্রশিক্ষণ মহড়া পরিচালনা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।

চাপ জোরদারে নিকোলাস মাদুরো, তার স্ত্রী ও ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে নতুন নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, মাদুরো দম্পতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সাতজনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট অভিযোগ করেন, মাদক রাষ্ট্র টিকিয়ে রাখতে ভূমিকা রাখছে তারা।

Manual3 Ad Code

Sharing is caring!

ইতালি থেকে কিউবা— বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরার দীর্ঘ অপেক্ষায় আছেন যারা শেখ স্বপ্না শিমুঃ আবারও সেই হাহাকার, আবারও সেই গভীর বেদনার গল্প। যে দলটিকে ছাড়া একসময় বিশ্বকাপের মঞ্চ কল্পনাই করা যেত না, সেই ইতালি এখন যেন নিজেই এক ট্র্যাজেডির প্রতীক। টানা তৃতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। ২০০৬ সালের বার্লিন জয়ের স্মৃতি যেন সেই সুদূর অতীতের গল্প। সময় গড়িয়ে গেছে দুই দশক। কিন্তু এই দীর্ঘ সময়ে বিশ্বকাপের মূল মঞ্চে ইতালির সাফল্য বলতে আছে মাত্র একটি জয়— যা তাদের পতনের গভীরতাকেই আরও স্পষ্ট করে তোলে। ফলে ২০৩০ সালের আগে বিশ্বকাপ নিয়ে নতুন করে স্বপ্ন দেখার কোনো সুযোগও নেই তাদের সামনে। আচ্ছা, বিশ্বকাপ মানেই কি শুধু বড় দলগুলোর মঞ্চ? একসময় উত্তরটা ছিল ‘হ্যাঁ’। কিন্তু এখন গল্পটা বদলে গেছে। চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইতালি টানা তিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিতে ব্যর্থ হয়েছে। এটা শুধু একটা দলের ব্যর্থতা নয়, বরং বিশ্ব ফুটবলের বদলে যাওয়ার একটা প্রতিচ্ছবি। তবে ইতালি একা নয়। বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসে এমন অনেক দল আছে, যারা একসময় বিশ্বকাপে খেললেও এখন যেন হারিয়ে গেছে সময়ের স্রোতে। ১৯৯০ সালের পর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ পায়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত: বিশ্বকাপের মঞ্চে যাদের উপস্থিতি এখন শুধুই এক দূর স্মৃতি। প্রথম এবং একমাত্র বিশ্বকাপ খেলেছিল ১৯৯০ সালে। সেই স্বপ্নময় যাত্রার পর কেটে গেছে দীর্ঘ সময়, কিন্তু বিশ্বকাপে আর ফেরা হয়নি। ৪০ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই হাঙ্গেরি: হাঙ্গেরির নামটা বোধহয় ফুটবলপ্রেমীদের কাছে খুব বেশি অপরিচিত হওয়ার কথা নয়। কারণ, একসময় ইউরোপের পরাশক্তি ছিল হাঙ্গেরি। দুবার রানার্সআপ এবং তিনবার কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছে তারা। কিন্তু ১৯৮৬ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যায়নি দলটিকে। হিসেব করলে দেখা যায়, প্রায় ৪০ বছর ধরে তারা বিশ্বকাপের বাইরে রয়েছে। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বকাপে নেই এল সালভাদর: মধ্য আমেরিকার ছোট্ট দেশ এল সালভাদর— বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের উপস্থিতি খুবই সীমিত। বিশ্বমঞ্চে খেলেছে মাত্র দুবার— ১৯৭০ এবং ১৯৮২ সালে। এরপর থেকে আর বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে পারেনি দেশটি। ৪৪ বছর ধরে বিশ্বমঞ্চে নেই কুয়েত: মধ্যপ্রাচ্যের আরেক দেশ কুয়েত, বিশ্বকাপের ইতিহাসে যাদের গল্পটা সংক্ষিপ্ত হলেও স্মরণীয়। ১৯৮২ সালে একবারই বিশ্বকাপ খেলেছিল তারা। ওই আসরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়েছিল দলটি। এরপর বহু বছর কেটে গেলেও আর কখনোই বিশ্বকাপের মঞ্চে ফেরা হয়নি কুয়েতের। ৫৬ বছর ধরে অপেক্ষায় ইসরাইল: ১৯৭০ সালে বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছিল। এরপর দীর্ঘ ৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিশ্বকাপ থেকে দূরে রয়েছে। সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার: সবচেয়ে দীর্ঘ অপেক্ষাটা কিউবার। ১৯৩৮ সালে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল তারা— যা আজও তাদের সেরা সাফল্য। কিন্তু এরপর প্রায় এক শতাব্দী হতে চলেছে, বিশ্বকাপে আর দেখা যায়নি তাদের।

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code